ফরিদগঞ্জে অসাধুচক্ররের পায়তারা ৪০ একর জমির ইরি সেচ প্রকল্প বন্ধ

জাকির হোসেন সৈকত,ফরিদগঞ্জ:
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬নং গুপ্টি ইউনিয়নে আষ্ঠা ও ষোলদানা গ্রাম নিয়ে বিশাল মাঠে প্রায় ৪২বছর ধরে সেচ প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে ৪০ একর জমিতে ইরি চাষাবাদ করে আসচেন স্থানী কৃষকরা। হঠাৎ কিছু অসাধু চক্রের কারনে পানি সেচ প্রকল্প কাজ বন্ধ হয়ে আছে। সেচ কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া কারনে ক্ষতি সাধিত হচ্চে প্রায় ১০০ জন কৃষক। এতে প্রায় ৩৫০০ মণ ধান উৎপাদন লক্ষ মাত্রা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ঐ অঞ্চলের কৃষকরা।
সরজমিনে দেখা যায়, খাজুরিয়া বাজার থেকে আষ্টা ও শোলদানা বাজারে পাশ দিয়ে যে খালটি অবস্থিত। সেই খাল থেকে নৈয়ার বাড়ির সামনে ৬ ইঞ্জি একটি পাম্প দিয়ে প্রতি মৌসমে কৃষি কাজের ব্যবহার করে আসছে স্থানীয় কৃষকরা। কিছু দিন পূর্বে সেই ড্রেনের পাশ দিয়ে নতুন করে রাস্তার নির্মান কাজ চলছে। রাস্তা নির্মান করতে গিয়ে কিছৃু অসাধু লোক সেচ প্রকল্পের ড্রেন বন্ধ করার জন্য রাস্তার নির্মান কথা বলে মাটি বরাট করে দিয়েছে। এতে ঐ গ্রামের প্রায় ৪০ একর জমি ফষল নষ্ঠ হবার উপক্রম হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন,আমরা এই সেচ পাম দিয়ে ৪২ বছরের বেশি সময় দরে প্রতি মৌসমে ধান চাষাবাদ করে আসছি। এই এলাকার কিছু প্রভাবশালী ও ইসমাইল সাহেবসহ তাদের বাড়ি যাওয়ার রাস্তা নির্মান করতে গিয়ে এই ড্রেন বন্ধ করে দিয়েছে। এতে আমরা এই মৌসমে ঠিক মতন পানি দিতে পারিনা। আমাদের জীবন দসায় এবার পানি বিহীন জমিতে সার প্রয়োগ করতে হয়েছে। যানি না কতটুকু কাজ হবে। রাস্তার পাশ দিয়ে যে অবসিষ্ট জমি আছে তা দিয়ে ড্রেনের ব্যবস্থা থাকলেও আমাদের সেচ কাজ চলতো। কিন্তু তারা আমাদের কে তা করতে দিবেনা বলে যানিয়ে দিয়েছেন। আমাদের কথা কে শুলে ভাই। আমরা কৃষি কাজ করি চলি আমাদের কে দাম দেয়?
সেচপাম পরিচালক ও সাভেক ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, আমি আজ ২৫ বছর এই পাম পরিচালনা করে আসছি । এই পামটি সরকারি জমির উপরে স্থাপিত। ইসমাইল সাহেবসহ কিছু লোক রাস্তা নির্মান নাম দিয়ে আমাদের এই পাম এর ড্রেন বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে এই ফসলি জমিতে পানি দেওয়া সম্বাব যাচ্ছে না। আমি এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পানি উন্নয়ন বোর্ড, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ৬নং গুপ্টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি বারবর একটি দরখাস্তা দিয়েছি। যাতে করে এই সকল কৃষক তাদের নেজ্জ অধিকার ফিরে পায়।
এই বিষয়ে ইসামাইল সাহেব বলেন, এই রাস্তা নিয়ে আমার কোন ইন্টারেস্ট নাই। ড্রেন থাকলেও কোন সমস্যা নাই, না থাকলেও কোন সমস্যা নাই। আমি এই রাস্তা দিয়ে বছরে দুই বার আসা যাওয়া করে থাকি। কিন্তু এই রাস্তা জন্য আমাকে অনেক দোড় যাপ করতে হয়েছে।
৬নং গুপ্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, আমি বিষয়টা সম্পকে অবগত আছি। আমি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.এইচ.এম মাহাফুজুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে একটি অভিযোগ এসেছে । আমি উপজেলা কৃষি অফিসার কে নিদ্রেস দিয়েছি। সরজমিন গিয়ে তদন্ত করে আমাকে যানাতে। তার পারে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মতামত লিখুন
আপনার নামটি লিখুন