চাঁদপুর পৌরসভার উদ্দ্যোগে ওয়ার্ড ভিত্তিক চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন

চাঁদপুর পৌরসভার উদ্দ্যোগে ওয়ার্ড ভিত্তিক চলছে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন কাজের মনিটরিং করেন পৌর ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মালেক বেপারী।

স্টাফ রিপোর্টার ।। ক্লিন চাঁদপুর গ্রীন চাঁদপুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুর পৌরসভার উদ্দ্যোগে ওয়ার্ড ভিত্তিক চলছে পরিষ্কার—পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন। গত এক সপ্তাহ ধরে চাঁদপুর পৌরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ড্রেন, নর্ন্দমা, ধূলা-বালি পয়ঃনিষ্কাশন করা হচ্ছে। এ কাজের সাথে একত্বতা পোষন করেছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিবেশ সংরক্ষণ আন্দোলন জেলা কমিটি।

সোমবার পৌর ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মালেক বেপারী তার নির্বাচনী এলাকায় এ কাজের মনিটরিং করেন।
এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পহেলা বৈশাখে মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পয়ঃনিস্কাশনের
উদ্দ্যোগ নিয়েছেন। আমরা কাউন্সিলরগণ যার যার ওয়ার্ডে এ কাজ শুরু করেছি। মেয়র মহোদয় ব্যপারটি খুব গুরত্ব দিচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করার দাবি দীর্ঘদিনের। আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছি। আশার কথা হচ্ছে, সকলের ঐকমত্য থাকলে চাঁদপুরবাসী এবার সেটি দেখতে পাবে। বিশেষ করে চাঁদপুর শহরের বাসিন্দারা আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধা পাবেন। একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দিতে চাইলে এ বিষয়ে সকল নাগরিকদদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ ব্যপারে পরিবেশ সংরক্ষণ আন্দোলন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মাওঃ মুহাম্মদ আবদুর রহমান গাজী বলেন, আমাদের সংগঠনের জেলা সভাপতি কাউন্সিলর মোঃ নাছির চোকদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে সারা জেলায় পয়ঃনিষ্কাশনে আমরা কাজ করছি। বিশেষ করে চাঁদপুর পৌরসভা যে উদ্দ্যোগ নিয়েছে, আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই। তাদের এ উদ্দ্যোগ ধরে রাখান জন্য আমরা প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় জনসচেতনতা মূলক সভা, সেমিনার এবং নিদিষ্ট জায়গাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলাতে উদ্বর্ধ করবো। তবে জেলা প্রশাসক বলেছিলেন, এতো কিছু করার পরেও যারা সচেতন না হবে, তাদেরকে জরিমানা করা হবে। প্রয়োজনে শাস্তির ব্যবস্থাও থাকবে বলে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল বলেছেন। এখন সময় এসেছে এ বিষয়টি গুরত্ব দেওয়ার। কেননা যারা পৌরসভার এ উদ্দ্যোগের পরে
যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ালে সেটা আদৌ কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে না। তাই আমরা দাবী করি বর্তমান জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান এ বিষয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিবেন।

Leave a Reply