আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির উপর মন্দির নির্মান

0
221


জাকির হোসেন সৈকত,ফরিদগঞ্জ: ফরিদগঞ্জ রুপসা’য় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির উপর মন্দির নির্মান করছেন বলে অভিযোগ করেন সম্পত্তির মালিক পক্ষ গং। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন যাবত উভয় পক্ষের মাঝে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। আর এর সুষ্ঠ সমাধান না হলে হয়তবা বড় ধরনের দূর্ঘটনার আসংখা করছেন স্থানীয় লোক জন। ঘটনাটি ঘঠেছে উপজেলার ১৫ নং রুপসা (উঃ) ইউনিয়নের কুরী পাড়ায় এলাকায়। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যক্তি মালিকানা সম্পত্তির উপর রাধা গোবিন্দ মন্দির নির্মান করছে একটি মহল।

সরজমিনে জানাযায়, রুপসা বাজারের পাশ্বে কুড়ি বাড়ীর ভিতরে রাধা গোবিন্দ মন্দির সু-সজ্জিতভাবে পূর্ব থেকেই নির্মিত আছে। মন্দিরের সামনে ব্যক্তি মালিকানা খালি জায়গা দখল করার জন্য বর্তমানে মন্দির সম্পসারনের নামে দখল করার পায়তারা করছে হরেন্দ্র চন্দ্র কুড়ি, বাবুল চন্দ্র কুড়ি সহ মন্দির কমিটির লোকজন।

এবিষয়ে অভিযোগকারী গৌতম চন্দ্র কুড়ি জানান, রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির কতেক অসাধু চক্র আমার পৈত্রিক ও খরিদকৃত সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল করে মন্দির সম্পসারনের কাজ করছে। যাহা আমি ও আমার পিতার নামে বিভিন্ন দলিল মূলে মালিক থাকিয়া ভোগদখলে বিদ্যমান ছিলাম। মন্দির সম্পসারণের নামে রাতের আধাঁরে আমার সম্পত্তি দখল করে ভবন নির্মানের কাজ শুরু করে ঐ চক্র। আমি বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগ করলে (মামলা নং- ১২০৯/১৯ ইং) আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন।

কিন্তু ঐ চক্র আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আমার সম্পত্তি দখল করে কাজ চালিয়ে যায়। গত ১৩ জানুয়ারী তাদের কাজে বাধাঁ দিতে গেলে তারা দলবল সহ দেশীয় অ¯্র নিয়ে আমার উপর হামলা করে আমাকে ও আমার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারাত্মক আহত করে।

আমি উপায়ান্ত না পেয়ে আইনের প্রতি শ্রোদ্ধাশীল হয়ে বিজ্ঞ আদালতে অভিযুক্ত ৭ জনকে বিবাধী করে মামলা দায়ের করি (মামলা নং- ৩০/২০২০ ইং)। চক্রান্তকারীরা আমাকে আহত করেও ক্ষান্ত হয়নি। ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত এনে মন্দিরে হামলার নাটক সাজিয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা ছালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। যে কোন সময় তারা আমার বড় ধরনের ক্ষতি করার সম্ভাবনা রয়েছে।তাই আমার পৈত্রিক ও খরিদকৃত সম্পত্তি জবরদখল মুক্ত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য সফিকুর রহমান জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ বৈঠকে গৌতম কুড়ীর আবেদন অনুযায়ী সম্পত্তির হিসাব হয়ে যারযার দখল মাপজরিপের সিন্ধান্ত হয়। কিন্তু বাবুল কাড়ী সহ মন্দির কমিটির অন্যান্য সদস্যরা মাপজরিপ করতে রাজি না হওয়ায় তা আর হয়নি।

অপরদিকে বাবুল কাড়ী জানান, মন্দিরের নামে ৬ শতক ভুমির দলিল আছে। সেই অনুযায়ী আমরা খালী জায়গায় কাজ করার সিন্ধান্ত নেই। কিন্তু দলিল দেখাতে অস্বীকৃত জানান তিনি।