উপ-পরিচালক সামসুজামান স্যারের প্রতি শেখ মহসীনের কৃতজ্ঞতা

প্রভাষক ডা: শেখ মহসীন: পহেলা নভেম্বর ২০১৯ জাতীয় যুব দিবস, চাঁদপুরে দিবসটি পালন হলো বণাঢ্য আয়োজনে। জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে এ দিবসটির অতিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের, পরিকল্পনা বিভাগের মাননীয় সচিব মো: নুরুল আমিন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সওকত ওচমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর পিতা: আলহাজ্ব মো: নাছির উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক দেশের শ্রেষ্ঠ রাষ্টীয় পুরস্কার প্রাপ্ত সমবায়ী ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম দুলাল পাটওয়ারী, এডিসি সার্বিক, সহকারি পুলিশ সুপার চাঁদপুর সদর সার্কেল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা নিবাহী অফিসার মহোদয় সহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের জেলা প্রধানগন ও প্রশিক্ষিত যুবদের ব্যাপক অংশগ্রহনে আমাকে প্রধান অতিথি সহ সকল অতিথিগন জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক হিসেবে ঘোষনা দেন ও সনদ পত্র প্রধান করেন।

সত্যি আমি মহোদয় গনের প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কোনো শ্রমই যে বৃথা যায় না, এ কথা আমার মনে আবারও শক্ত ভাবে স্থান করে নিল।

আমি র্দীঘদিন বেকার যুবদের অনুন্ধান করে উৎসাহ ও প্রেরনা দিয়ে তাদের যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষনের জন্য নিয়ে আসতাম। এতে শতভাগ সফল না হলেও আশিভাগ সফল হয়েছি আমি। অনেক বিপদগামীদের ও মোটিভেশন করে এ প্রতিষ্ঠানে এনে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ঘুরিয়েছি তাদের ভাগ্যের চাকা। এ সেবার ফলে জেলা প্রশিক্ষিত যুব উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি পদটি র্দীঘদিন অলংকৃত করে আছি।

শারীরিক ও মানসিক ভাবে যখন এই পদটি থেকে বিদায় নিব, ঠিক এমন মর্হুতেই আমাকে জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক হিসেবে সনদ তুলে দিলেন, রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বগন সহ দেশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। ফলে চাঁদপুর থেকে বিদায় নেওয়া সকল উপ-পরিচালকগন সহ বর্তমান চাঁদপুর জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: সামসুজামান স্যার সহ প্রধান অতিথি ও বিষেশ অতিথিগনের প্রতি আমার হৃদয় নিংড়ানো সকল ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আমার বেকারত্ব গোছানোর জন্য যিনি আমাকে যুব উন্নয়ন অফিসে পাঠিয়েছেন। ( আলহাজ্ব আবু নঈম দুলাল পাটওয়ারী ) আজকের এই সকল আনন্দ তার জন্য উৎসর্গ করে দিলাম। আর এই সফলতা সকল প্রশিক্ষিত যুবদের জন্য প্রেরনা হিসেবে এ সনদটির জন্য শ্রমের মর্ম বানী জানান দিলাম। আমি বলি এ পৃথিবীতে কেউ বেকার নয়, এটা শুধু তার ইচ্ছার ফসল।

আসুন ইচ্ছা বদলে ফেলি, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিণির্মানে দেহ মন সহ দুটো হাত কোনো না কোনো কাজে লাগিয়ে দেই। দেখবেন একদিন সফল হয়ে গেছেন।