একজন বৈশ্বিক নেত্রী শেখ হাসিনা

বৈশ্বিক মহামারী পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ-চীন অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। চীন যখন মহামারীতে আক্রান্ত। সারাবিশ্ব যখন খাম-খেয়ালিপনা করে চীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলো। তখন বাংলাদেশের মতো নুন আনতে পানতা ফুরানো রাষ্ট্র কিনা একটি দেশ চীনকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে।

হ্যাঁ, হতে পারে তা ছিলো যৎসামান্য।
১০ লাখ হ্যান্ডগ্লাফস ও মাস্ক আর কিছু হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাঠিয়েছি। যা ১৫০ কোটি মানুষের দেশে হয়তো তা কিছুই না।

কিন্তু বড় অর্থনীতি দেশ গুলোকে উচিৎ শিক্ষা দিয়েছি বিশ্ব মহামারী মোকাবেলায় হাত গুটিয়ে না থেকে বরং হাত বাড়িয়ে দিন, সামর্থ্য অনুযায়ী।এরপর পরই সবাই চীনকে সহায়তা করা শুরু করে।

আজ চীন তাদের পরিস্থিতি উন্নয়ন ঘটিয়েছে।
উত্তরণ করতে পেরেছে মহামারী থেকে। ৮০ হাজারের অধিক আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় সবাইকে সুস্থ করে বাড়ি ফিয়ে দিয়েছে ৪ দিনের মধ্যে।

কিন্তু আমরা চীনের মত প্রযুক্তি নির্ভর দেশ হয়ে উঠতে পারি নি। কিংবা পারিনি ড্রাগন অর্থনীতি দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে।

আমাদের কি হবে? বাংলাদেশের ভাগ্য কি আছে?
নেই পর্যাপ্ত অর্থ, নেই প্রশিক্ষিত চিকিৎসক, নেই টেস্ট ব্যবস্থা, নেই প্রতিষেধকও। আমাদের একটাই সম্পদ আছে। মানবতা ও মানবিকতা।
শুধু এটুকুই দিয়ে ঘাড়ে নিয়েছি ১০ লাখ রোহিঙ্গা।
মহামারীতে বাড়িয়ে দিয়েছিলাম সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত।

তাই। আজ চীন এসেছে আমাদের কাছে বাড়িয়ে দিতে সেই সাহায্যের হাত। প্রয়োজন সব সরঞ্জাম, টেষ্ট কীট, ঔষধ ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের দল নিয়ে ইতোমধ্যেই আমাদের দেশে। Itz called natural feedback. Which means- many a little makes a mickle.

এজন্য ধন্যবাদ দিতে হয় দূরদর্শী নেত্রী শেখ হাসিনাকেই। যেখানে পুরা বিশ্বই আজ নিজেদেরকে নিয়ে ব্যস্ত সেসময়ে তাঁর বিচক্ষণ সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারনে আজ চীন থেকে বড় ধরনের সাপোর্ট পাচ্ছি। আর এ জন্যই বলা হয়; A stitch in time saves nine.

মোঃ আরিফুল ইসলাম
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
সাংগাঠনিক সম্পাদক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়