একজন মুজিব প্রেমিক ইয়ামিন আজমান চৌধুরী :

নাইম তালুকদার : আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতি সাথে সম্পৃক্ত নয়। তবে দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষে যারা লড়েছিলেন তাদেরকে আমি ভালোবাসি ।

আজকে যার কথা বলছি তিনি একজন নিস্বার্থ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেমিক। দিরাই উপজেলার গচিয়া চৌধুরী বাড়ীর  কৃতিসন্তান।  আগামীর দিরাই শাল্লার কর্নধার  সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য,। বহুগুনের অধিকারী  প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীন বাংলার সর্ব প্রথম গণমাধ্যম দৈনিক বাংলার সহসম্পাদক সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী কনিষ্ঠ পুত্র ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ।  এই আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তিনি কোন কিছু প্রতি লোভ লালসা ও ক্ষমতার দিকে হাত না বাড়িয়ে দিয়ে  নিভরিত নিরলে নিস্বার্থ ভাবে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি বিতরণ করে আসছেন।

আমি গত কয়েক দিন ধরে সিলেট সুনামগঞ্জের কয়েকজন রাজনীতিবীদের ফেইসবুক ওয়ালে নজর দিয়ে দেখতে পারলাম, যে ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাইয়ের সুবিদ বাজারস্থ অফিস থেকে অনেক গুনীজনরা ও উনার কাছ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি গ্রহণ করেছেন। তারপর আমি ইয়ামিন ভাইকে ফেইসবুক কমেন্টের মাধ্যমে বলেছি। ভাই আমার কপিটি কবে পাবো? । তিনি নিমিষেই বলে দিলেন, নাইম তালুকদার সিলেট আসলে তো অবশ্যই পাবে….। গতকাল একটি জরুরী কাজে সিলেট যাওয়া পর। উনি বলেন, অফিসে চলে এসো। আমি অফিসে গিয়ে দেখি আমি অধমের মতো অনেকেই উনার কাছ থেকে বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি নিতে দীর্ঘক্ষণ  অপেক্ষায় আছেন। কিছু সময়  ব্যাক্তিগত খোশগল্প ও দিরাই শাল্লার নানাবিধি আলোচনার পর বলেন, নাইম তালুকদার তোমার বইটি নিয়ে যাও,আমি বললাম ভাই নেওয়ার  জন্য তো অবশ্যই  এসেছি। তিনি বলেন নেও,। নিবো, তবে কাজ তো একটা রয়েগেছে কি কাজ,। একটা ছবি উঠাতে হবে, আরে না, ছবি লাগবে না। ছবি দিয়ে কি হবে ?ছবিতে কি?  সব কিছু হয়,। আমি অনেকক্ষণ করজোড়ে বলার পর আমার আবদার রক্ষার্থে আমার সাথে  একটি  ছবি উঠানেল মুজিব প্রেমিক ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাই। এই আওয়ামিলীগ সরকারের বর্তমান সময়ে আমার দেখা মতে দেশ ও দলের জন্য উনার সাধ্যে মতে নিবরিত নিরলে নিস্বার্থ ভাবে অনেক  কাজ করে যাচ্ছেন।

আজকাল সিলেট সুনামগঞ্জের অনেক নেতাগণ ক্ষমতার দাপটে শরীরে বসন্ত বাতাসের মতো বাতাস লাগিয়ে নিজের স্বার্থ  হাসিলের জন্য মিষ্টি সুরে কুহু, কুহু  ডেকে ডেকে  অনেক সরকারি বেসরকারি অফিস আদালতে দেউলিয়া হয়ে ঘুরছেন। কিন্তু ইয়ামিন  ভাই  একজন  গুনধর মানুষের ছেলে ও সুনামগঞ্জ  জেলা আওয়ামীলীগের  সদস্য থাকালীন অবস্থায়  মোটেই দলীয় মিছিল মিটিং ছাড়া আজ পর্যন্ত অন্য কিছুতে নেই। তিনি হর-হামেশা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও উনার মরহুম পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত সালেহ চৌধুরীর নীতিকে বুকে লালন করে এবং   জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও দিরাই শাল্লার  অসহায় খেটে খাওয়া মানুষদের মুখে হাসি  ফুটাতে তিনি  নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সব সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের উপর সন্তুষ্ট। ইয়ামিন আজমান চৌধুরী দীর্ঘদিন যাবত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি সিলেট সুনামগঞ্জের রাজনীতিবীদ ছাড়াও  বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে বিলিয়ে দিচ্ছেন।

তার একমাত্র লক্ষ্য উদ্দেশ্য রাজনীতিবীদদের পাশাপাশি বর্তমান নতুন প্রজন্মের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে -মেয়েরা  ও জানুক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ইতিহাস ও জীবন কাহিনী।  কেমন ছিলেন  তিনি  দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষে কতটুকু কাজ করেছিলেন।  কেমন ছিলো তাঁর রাজনৈতিক  জীবন ইত্যাদি। আমার  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে তেমন একটা কিছু জানা ছিল না । ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাইয়ের কাছ থেকে বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি গ্রহণ করে প্রায় ছয় -সাত রাত্রি একধারে অধ্যায়ণ করে করে আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে বুঝতে পারলাম বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আসলেই একজন সত্যিকারের দেশ প্রেমিক ছিলেন,। তিনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছু করে গেছেন যা অতূলনীয় । আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুক, । প্রচারের আলো না পাওয়া ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাই তিনি এখন অভ্যাসে পরিনত হয়ে পরছেন । বিভিন্ন ভালো কাজের প্রতি। তিনি দীর্ঘ দিন যাবত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি নিস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দিয়ে আসতেছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের নিকট  ।

তবে আজকের যুব সমাজের এই ইন্টারনেট জগৎ  ও oundar of mordran since এর যুগে অনেকেরই মনে নেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা। তিনি অনেকের  হাতে শেখ মুজিবুর রহমান কে জানার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি তুলে দিচ্ছেন,। আমি অত্যন্ত শ্রদ্বা ভরে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও দিরাই শাল্লার আগামীর কর্নধার ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাইকে সীমাহীন ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাকে এই বইটি উপহার দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিয়েছেন। শ্রদ্বেয় মুজিব প্রেমিক ইয়ামিন আজমান চৌধুরী ভাই। আপনার এই বিতরণ কাজটি   আসলেই মহৎ । অনেক মনিষীদের কাছ থেকে জানতে পারলাম বই  উপহার দেওয়া টা আসলেই উত্তম কাজ। আপনার এই উত্তম কাজ গুলো বেচে থাকুক, আজীবন হাজারো মানুষের মাঝে।

আপনার কাজ আপনি আপন মনে চালিয়ে যান। জয় হোক আপনার প্রতিটি মহৎ কাজের। আপনার জন্য রইলো শিশির ভেজা একফোঁটা নিরন্তর শুভ কামনা ও ভালোবাসা । জয় হোক আপনার মতো উদার মনের মানুষদের। জয় হোক এদেশের নিস্বার্থবান মানুষদের ।