এখন ও বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তি কারীদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি দ: সুনামগঞ্জ থানা পুলিশ

সুনামগঞ্জ  প্রতিনিধি  : সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা যুবদলের ( আনছার উদ্দীন গ্রুপের) সক্রিয়  কর্মী দুই  যুবক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তিকারী  জুনাক আহমেদ ও মহিবুর রহমান মানিক  প্রশাসনের ধরা ছোয়ার বাইরে। এই দুই কটুক্তি কারীদের উপর সুনামগঞ্জ জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমেদ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলেও  থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করতে এখন পর্যন্ত মোটেই রাজি নয়।

কটুক্তিকারীরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানক ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুককে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ব্যঙ্গ চিত্র করে পোষ্ট দিয়ে শাহেন-শাহের মতো বুক ফুলিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় উপর দিয়ে  উপজেলা আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতাদের সাথে সাখ্যতা বজায় রেখে প্রতিনিয়ত ঘূরা-ফেরা করছেন। কটুক্তিকারীরা উপজেলা আওয়ামীলীগের কিছু নেতাদের গোপনীয় সহযোগীতায় পেয়ে বরং মামলার বাদী মঈন উদ্দিন আহমেদকে হুমকি ধামকী ও পরে দেখে নেওয়ার ভয়ভীতি বিভিন্ন অঙ্গ বজ্ঞিতে দিয়ে আসছে প্রতিদিন।  কটুক্তির এবিষয়টি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও দলীয় সিনিয়র নেতাদের বিষয়টি নিয়ে বার বার বলার পর ও জুনাক ও মহিবুর রহমানকে কেন? পুলিশ গ্রেফতার করছে না এনিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে উপজেলা পল্লী অঞ্চলের প্রকৃত আওয়ামীলীগের নেতাদের  মনে।

তাদেরকে পুলিশ এখন পর্যন্ত এই অশ্লীল কাজ করার পরও যে গ্রেফতার করতে পারেনি এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে উপজেলা প্রতিটি মহলের সবত্রেই। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামীলীগের কিছুসংখ্যক নেতা জানান, কি? এমন আলাদীনের চেরাগ উপজেলা যুবলদলের নেতা জুনাক ও মহিবুর রহমান মানিক।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ষোল কোটি মানুষের আশার আশ্রয়স্থল জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করলো। আমাদের উপজেলা আওয়ামীলীগকে নিয়ে কটুক্তি করলো। তাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হলো এখন পর্যন্ত এই দুই কটুক্তিকারীদেকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আমাদের পুলিশ ভাইজানেরা কি করেন,।

আমরা ইদানীং দেখতে পাচ্ছি  সুনামগঞ্জের ০১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনকে নিয়ে নাম মাত্র একজন সাংবাদিক ফেইসবুকে পোষ্ট দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই থাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু জাতির জনক ও আমাদের প্রাধনমন্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় কটুক্তি করার পর ও জুনাক ও মহিবুর রহমান মানিক এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আজ আমাদের বসন্তের কুকিল দলীয় নেতা কর্মীরা আজ খই? জাতির জনকের ও প্রধানমন্ত্রীকে গালাগালে কি’ কাদেঁ না তাদের মন?। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ আওয়ামীলীগ কি? এখন স্বার্থের রাজনীতির কাছে বন্ধি। ওরা কি আওয়ামীলীগের পূর্ব ইতিহাস ভূলেগেছেন?। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তি করে মুক্ত বাতাসে প্রশাসনের নাকের ডগায় উপর দিয়ে দুই কটুক্তি কারীরা প্রতিনিয়ত ঘূরা-ফেরা করতেছেন বিষয়টি আসলে দুঃখজনক। এটা আমরা মনে করি আমাদের আওয়ামীলীগের জন্য বিরাট বড় একটা অশনি সংকেত। আমরা এই দুই কটুক্তি কারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট দাবী প্রার্থনা করছি।  অনুসন্ধানে জানাযায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগকে নিয়ে কটুক্তি কারী  এই দুই যুবকের উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতার সাথে সুস্পর্ক থাকায় পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারছে না।

4 তারা দলীয় নেতাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে প্রতিনিয়ত ঘুরা -ফেরা করছেন।দক্ষিণ  সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের আসন্ন দলীয় কাউন্সিলে প্রার্থীদের আশীর্বাদ পুষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তিকারী জুনাক ও মহিবুর রহমান মানিক।তারা বিএনপি সক্রিয় কর্মী  হয়েও গাঁ ডাকা দিয়ে কয়েকজন নেতার সাথে সম্পর্ক রেখে দিনের পর দিন বিভিন্ন অরাজকতা ও বিএনপি রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মামলার বাদী মঈন উদ্দিন আহমেদ জানান, আমি এই দুই কটুক্তি কারীদের বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ সহ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় আমার নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানক  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাদের উপর মামলা দায়ের করি। বিষয়টি আসলে দুঃখজনক যে মামলা দায়েরের আজ প্রায় মাস খানেক পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি আমাদের থানা পুলিশ।

নিশ্চয়ই এখানে কোন রহস্য লুকিয়ে  আছে। সুনামগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব-কমান্ডের সভাপতি ওবায়দুর রহমান কুবাদ বলেন, বিষয়টি আসলে শুনতেই খুব দুঃখ জনক। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী কে নিয়ে কটুক্তি করার পরও এখন পর্যন্ত এদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জা জনক বিষয়। আমরা আজ স্বার্থের টানে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আমরা ভুলেগেছি আমাদের অতিত,। কিন্তু নব্য আওয়ামীলীগেরা জাতির জনক  ও প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কি বুঝবে আর এনিয়ে তাদের তো মাথা ঘামানোর কোন প্রয়োজন নেই।

ওরা খাই-খাইতে ব্যস্ত। জাতির জনক ও প্রধানমন্ত্রীকে গালাগাল করলে ওদের যায় আর আসেটা কি, ওরা তো প্রকৃত আওয়ামিলীগ নয়, ওরা নামধারী স্বার্থার আওয়ামীলীগ। আর এখন প্রায় উপজেলায় এই জামাতের নেতাদের দখলে আমার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ। আমি এই বিষয়টি ভালো করে খতিয়ে দেখে দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে  দাবী জানাচ্ছি। এবিষয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।