ওদের দেখে আমি বেঁচে থাকতে পারবোনা

smart

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: স্বামী হত্যার বিচার চাই স্ত্রী ছবি আক্তার। হত্যাকারীরা আটকের পর থানায় তৈয়বের স্ত্রী ছবি আক্তার পুলিশ ও সাংবাদিকের কাছে বলেন ‘আমি খুনিদের বিচার চাই ,ওদের যেন মৃত্যু হয়। ওরা আমার এলাকার, ওদের দেখে আমি বেঁচে থাকতে পারবোনা।’ থানায় এভাবেই তিন সন্তাসকে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে কথা গুলো বলছিলেন তৈয়বের স্ত্রী ছবি আক্তার।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গরু ব্যবসায়ী তৈয়ব হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ।

এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধায় সহকারী পুলিশ সুপার পীরগঞ্জ সার্কেল, অতিরিক্ত দায়িত্ব রাণীশংকৈল সার্কেল তোহি-উদ-দৌলা লুপম সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনা লিখিত ভাবে পড়ে শুনান। এ সময় তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) খায়রুল আনাম ডন ও এসআই আহসান হাবিব উপস্থিত ছিলেন। সহকারী পুলিশ সুপার জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি উপজেলার গোগরের আলোচিত গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তৎপর থেকে ৬ দিনে এ মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করে আলামত জব্দ করে জেলে হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এ হত্যা কান্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অপরাধে উপজেলার গোগর ঝাড়বাড়ি এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে রবিউল, মুসলিম উদ্দিনের ছেলে সাব্বির, খলিলুর রহমানের ছেলে সাগর, মোস্তফা আলমের ছেলে জুয়েল রানা ও মতিউর রহমানের ছেলে শাহনেওয়াজকে গ্রেফতার করে সত্যতা পাওয়া গেছে এবং হত্যকান্ডে ব্যবহারিত অস্ত্র ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে আসামীরা ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান করে। তৈয়ব ঘটনার দিন স্থানীয় কাতিহার হাটে গরু কেনাবেচা করার জন্য যায়। হাট থেকে ফিরে এসে গোগর চৌরাস্তা বাজারে নগদ প াশ হাজার টাকাতে একটি গরু বিক্রি করে । হত্যাকারীরা তৈয়বের নিকট মোট দেড়লক্ষ টাকা আছে জানতে পেরে আনুমানিক রাত ১১টার সময় পরিকল্পিত ভাবে কৌশলে পিছলা পুকুরের বাঁশ ঝাড়ের পাশে মাসুদের গম ক্ষেতে তৈয়বকে নিয়ে তার সাথে থাকা দেড়লক্ষ টাকা চায়। তৈয়বের নিকট টাকা না পেয়ে শেষে হত্যা করে জমিতে গর্ত করে পুতে দেয়।