কানাডার এসবিসি প্রতিযোগিতায় ‘রানার আপ’ ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘সতেজ’ ও ‘সর্বজয়া’

শিক্ষাগন ডেস্ক: সামাজিক ব্যবসার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সোস্যাল বিজনেস ক্রিয়েশন (এসবিসি) প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসরে ‘রানার আপ’ ও ‘সোস্যাল বিজনেস কনসেপ্ট পুরস্কার’ অর্জন করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের দল ‘সতেজ’ ও ‘সর্বজয়া’। গত ৩০ সেপ্টেম্বর কানাডার এইচইসি মন্ট্রিলে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিশ্বের ১৫টি দেশ থেকে ৯৮টি দল অংশগ্রহণ করে এবং চূড়ান্ত পর্বে ৩৩টি দল অংশ নেয়। সেখানে সেরা সাত অবস্থানসহ উপরোক্ত দুটি পুরস্কার অর্জন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। কানাডার এইচইসি মন্ট্রিলের সোস্যাল বিজনেস ক্রিয়েশন (এসবিসি) এর পরিচালক ড. মাই থি থান থাই বিজয়ী দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কারের ট্রফি ও চেক তুলে দেন।

‘টিম সতেজ’ এর সদস্যরা হলেন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের নাহিদ আরমান এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জোহরা আক্তার পলিন,রওনাক জাহান জুথী ও সাজ্জাদুল হক। আর ‘টিম সর্বজয়া’র সদস্যরা হলেন ইংরেজী বিভাগের মেঘলা আক্তার মিতু, টেক্সটাইল ডিপার্টমেন্টের মাহফুজ ইসলাম এবং কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আশিক ইকবাল।

প্রতিযোগিতায় টিম সতেজ প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্যোক্তাবৃত্তি ছড়িয়ে দেওয়ার ধারনাপত্র উপস্থাপন করে সোস্যাল বিজনেস কনসেপ্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। পুরস্কার হিসেবে দলটি পেয়েছে ২ হাজার কানাডিয়ান ডলার। অপরদিকে টিম সর্বজয়া স্বল্পমূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদন ও বিপণনের ধারণাপত্র উপস্থাপন করে রানার আপ শিরোপা অর্জনের পাশাপাশি সোস্যাল বিজনেস আইডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

৪র্থ বারের মতো অনুষ্ঠিত সোস্যাল বিজনেস ক্রিয়েশন প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর ফাইনাল রাউন্ডে বাংলাদেশ থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চারটি দল অংশগ্রহণ করে। ২০১৭ সাল থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এই প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক সহযোগী।

এছাড়া এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি মেনটরিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সোস্যাল বিজনেস স্টুডেন্টস ফোরাম (এসবিএসএফ)। এসবিএসএফ এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার যুব সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।