কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে সিএনজি অটোরিকশা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

মোবারক হোসেন: কিশোরগঞ্জঃ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য বিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানছে না কিশোরগঞ্জের হাজার হাজার সিএনজি অটোরিকশা। প্রতিদিনই পার্শবর্তী জেলা ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নরসিংদী থেকে অবাধে কিশোরগঞ্জ শহরে ঢুকছে কয়েক শ’ সিএনজি অটোরিকশা। এছাড়াও জেলার হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, বাজিতপুর, ভৈরব, তাড়াইল, করিমগঞ্জ চামড়া বন্দর থেকে কিশোরগঞ্জ শহরে ঢুকছে হাজার হাজার সিএনজি অটোরিকশা।তার উপর রয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ।

ছোট একটি সিএনজি অটোরিকশার ভিতর দুই থেকে আড়াই ফিট জায়গায় ৫ জন যাত্রী ও চালকসহ ৬ জন ঘা ঘেষে বসেই চলাচল করছে। নেই কোন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্ৰী। এভাবেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কিশোরগঞ্জে হাজার হাজার সিএনজি অটোরিকশা।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের প্রবেশ পথে চেক পোস্ট বসালেও বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়েই শহরে ঢুকছে সিএনজি অটোরিকশা গুলো।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহরের কয়েকটি সিএনজি স্ট্যান্ডে এমন চিত্র। শহরের জেলখানার মোড়, আখড়া বাজার,একরামপুর, পুরান থানা ও গাইটাল স্ট্যান্ডে সরকারি নির্দেশনা স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ভিতরে ঘা ঘেষে চালকসহ ৬ জন কে নিয়েই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুরো জেলা। যাত্রীদের অভিযোগ স্বাস্থ্য বিধি না মেনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

করোনা মহামারী শুরু হওয়ার আগে পাশ্ববর্তী জেলা গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে কিশোরগঞ্জে চলাচল করতে জনপ্রতি ২০০ থেকে ২২০ টাকা ভাড়া ছিল। বর্তমানে একই স্থান থেকে চলাচল করতে জনপ্রতি ভাড়া দিতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। সরকারের ঘোষিত ৬০% ভাড়া বাড়ানোর নিয়ম ঠিক রেখে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চালকসহ ৬ জন নিয়েই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা গুলো। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই অনেকটা বাধ্য হয়েই চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ জনগণ কে।