কুমিল্লায় সিপিবির নেতাদের উপর হামলায় প্রতিবাদ সমাবেশ

0
44

এ আর আহমেদ হোসাইন (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কমরেড মঞ্জুরুল আহসান খান সহ সারা দেশে সিপিবি, বাম জোট ও বিভিন্ন গনসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা- মামলা, গ্রেফতার এবং সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে সিপিবি’র পদযাত্রায় সন্ত্রাসী ও পুলিশি হামলা নির্যাতনের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে সিপিবি কুমিল্লা জেলা কমিটি।

বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা বন্ধ, পেঁয়াজ, চাউল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর বাজার নিয়ন্ত্রন সহ ১৭ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত,- মাসব্যাপী (১নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর) পদযাত্রার সমাপনী দিনে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা মহানগর টাউন হল মাঠের গেইটে এক প্রতিবাদ সভা করেছে।

এর আগে সকাল থেকেই পদযাত্রার মধ্য দিয়ে কুমিল্লা শাসনগাছা, ঝাউতলা, কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ, চকবাজার সহ কয়েকটি স্থানে পথসভা করেন। এসময় বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সিপিবি কুমিল্লা জেলা সাধারন সম্পাদক কমরেড পরেশ কর, সাবেক জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মফিজ উদ্দিন আহমেদ, সিপিবি জেলা কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মোহাম্মদ হোসেন, কমরেড শুধাংশু কুমার নন্দী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড সুজাত আলী, কমরেড আব্দুল ওয়াদুদ, কমরেড এডভোকেট অশোক অশোক জয় দেব, কমরেড শহিদুল ইসলাম, যুবইউনিয়ন কুমিল্লা জেলা সভাপতি এ,কে,এম মিজানুর রহমান কাউছার, যুবনেতা মিঠু প্রমূখ।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক ঘোষিত ১৭দফা দাবী আদায়ের পদযাত্রায় হামলা, প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলাকমিটি বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম, পাড়া-মহল্লা, হাটে-বাজরে, বাস স্ট্যাশনে প্রায় ৫৭টি পথসভা করেছে। গত ২১ নভেম্বর দুপুরে কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহা-সড়কের ময়নামতি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা এলাকা পর্যন্ত পদযাত্রা চলাকালে বুড়িচং উপজেলার কংশনগর বাজারে পথসভা করাকালে যুবলীগের একটি সন্ত্রাসী দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে পথসভা পন্ড করেদেয়।

এসময় সন্ত্রাসীরা সিপিবি কুমিল্লা জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড এ,বি,এম আতিকুর রহমান বাশার’র হাত থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে ভাংচুর ও তার ছিড়েলে। সন্ত্রাসীরা এক পর্যায়ে মাইকের ব্যাটারী, এম্বলিফায়ার লুটকরে নিয়ে যায়।

এসময় সিপিবি কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কমরেড পরেশকর, যুবইউনিয়ন কুমিল্লা জেলা সভাপতি এ,কে,এম মিজানুর রহমান কাউছার সহ ৮/১০জনকে লাঞ্ছিত করে। পরে লুট করে নেয়া মাইকের ব্যাটারী ও এ্যাম্বলিফায়ার উদ্ধার ও মেরামত করে আবারও পথসবা পরিচালনা করে।