কোভিড-১৯ এর ফলে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অতিদরিদ্র খানা সমূহে জরুরী সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

কোভিড-১৯ এর ফলে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অতিদরিদ্র খানা সমূহে জরুরী সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন
কোভিড-১৯ এর ফলে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দিনাজপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অতিদরিদ্র খানা সমূহে জরুরী সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন

শিমুল: দিনাজপুর প্রতিনিধঃ দিনাজপুরে কোভিড-১৯ এর ফলে সৃষ্ট সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অতিদরিদ্র খানাসমূহে নগদ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে জরুরী সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২০ মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সভা কক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরিফুল ইসলাম।

এসময় গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র’র (জিবিকে) বাস্তবায়নে, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় জরুরী সহায়তা কার্যক্রমে ১ম পর্যায়ে উপস্থিত ১০ জন উপকারভোগী সদস্যের প্রত্যেককে ৩ জার টাকা নগদ মোবাইল ব্যাকিং এর মাধ্যমে প্রদান করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারি কমিশনার (গোপনীয় শাখা) ইমদাদুল হক শরীফ, গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের উপ-প্রধান নির্বাহী আমিনুল ইসলাম, পরিচালক (সামাজিক উন্নয়ন) সারা মারান্ডি, প্রসপারিটি প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম

ম্যানেজার আব্দুস সালাম। আয়োজকরা জানান, পিকেএসএফ-প্রসপারিটি কর্তৃপক্ষ গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র (জিবিকে) কর্তৃক ইতোমধ্যে চিহ্নিত অতিদরিদ্র খানাসমূহকে কোভিড-১৯ সংকট এর সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষার লক্ষ্যে প্রসপারিটি প্রকল্পের আওতায় ঊসবৎমবহপু অংংরংঃধহপব

চৎড়মৎধসসব (ঊঅচ) বা জরুরী সহায়তা কার্যক্রম গ্রহন করেছে।

গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র পাইলটিং ৩টি ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১ হাজার ৭শ ২২ টি অতিদরিদ্র খানায় জরুরী সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। তবে প্রাথমিকভাবে গত আগষ্ট’ ২০২০ ইং মাসে পাইলটিং হিসেবে বিনোদনগর ইউনিয়নের পূর্ব জয়দেবপুর গ্রামের ১শ ১২ টি খানার মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ৯৪ টি খানায় ৫শ টাকা হিসেবে মোট ৪৭ হাজার টাকা এই নগদ মোবাইল ব্যাকিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সফলভাবে জরুরী সহায়তা দেয়া হয়েছে। নগদ মোবাইল ব্যাকিং এর মাধ্যমে এই টাকা ট্রান্সফার করার লক্ষ্যে গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ নগদ কোম্পানীর এর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন করে যার ফলশ্রæতিতে উপকারভোগীগণকে ৫০০ টাকায় ৫ টাকা ক্যাশ আউট ফি দিতে হয় যা বিকাশ/রকেট থেকে সাশ্রয়ী। ইতোমধ্যে নগদ থেকে সরবরাহকৃত ডিসবার্সমেন্ট রিপোর্ট (ট্রানজাকশন আইডিসহ) পিকেএসএফ কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হওয়ার ফলে বাকী ৯৪ টি খানায় মাস ভিত্তিক ৩টি ধাপের ১ম ধাপের বাকী ২৫০০ টাকা দেয়া হবে।

প্রসপারিটি প্রকল্প কর্তৃক চিহ্নিত ও নির্বাচিত প্রতিটি খানা ৩ হাজার টাকা করে আগামী ৩ মাসে মোট ৯ হাজার টাকা পাবেন।