চলে গেলেন না ফেরার দেশে ১০০’ ত্রিশ বছরের বৃদ্ধ খলিলুর রহমান!

মোঃ আমানউল্যাহ খাঁন: বর্তমান সময়ে পত্র পত্রিকায় এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে ১০০ বছরের উপরে বয়সের লোকের সংবাদ পেলেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও সে বয়সের লোকদের খবর ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে। কিন্তু ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা ইউনিয়নের শোসাইরচর গ্রামের খলিলুর রহমানের বয়স ১৩০ পার হলেও তার নিজের ইচ্ছার কারণে কখনও তিনি পত্রিকায় আসতে চাননি।

ইতিপূর্বে একাধিকবার তার বয়সের খবর শুনে তার বাড়িতে গেলে তিনি সাংবাদিককে বারণ করেন পত্রিকাতে তার নাম না আসার জন্যে। সে কারণেই তিনি ১৩০ বছর বয়স পেয়েও কখনো পত্রিকার শিরোনাম হননি।
গত ৫/৬ মাস আগে তার সাথে গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা হলে তিনি খুব স্পষ্টভাবেই বলেন, ব্রিটিশ আমল তো সেদিনের কথা। জীবনে কত কিছুই তো দেখলাম।

তিনি এ প্রতিনিধির কাছে বলেছিলেন, বর্তমান যুগের সাথে চলতে খুব কষ্ট হয়। আগেকার মানুষ না খেয়েও খুব মিলে-মিশে থাকার চেষ্টা করতো। কিন্তু এখন প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরেই লোভ আর লোভ। এলাকার লোকদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, খলিলুর রহমান সাহেব খুব ভালো মানুষ ছিলেন।

তার বয়সের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, খলিলুর রহমান সাহেব এখন যেমনটা ছিলেন ঠিক ৭০/৮০ বছর আগেও এমনই দেখেছি।