চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির এর পদোন্নতিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

অভিজিত রায়: ঢাকা রেঞ্জার অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া চাঁদপুরের পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম, পিপিএম- এর পদোন্নতিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ অগস্ট মঙ্গলবার রাতে চাঁদপুর জেলা ক্রিড়া সংস্থা ও চাঁদপুর ক্লাব এর যৌথ আয়োজনে ক্লাব মিলনায়তে এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান, পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শওকত ওসমান, চাঁদপুর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. শহীদ উল্লাহ, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক শেখ মনির হোসেন বাবুল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সাধারণ সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, ফুটবল উপ কমিটির সাধারণ সম্পদক শাহীর হোসেন পাটওয়ারী।

জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, আমরা একে অপরকে পড়তে পারতাম। অনেক জটিল জটিল কাজ আমরা পরামর্শ করে সমাধান করেছি। যে মানুষের ভেতরে সত্যিকারের মানুষ লুকিয়ে থাকে তার মন-মনন হয় সুন্দর। তার দৃষ্টি হয় একটা আয়না। সে সুন্দরকে চিনতে পারে। তিনি আরও বলেন, চাঁদপুর কাজ করার মতো চমৎকার একটি প্লাটফরম।

ডিসি সম্মেলনে চাঁদপুরকে আলাদা মর্যাদা দেয়া হয়। সভ্যতার অনেক উচ্চতায় চাঁদপুরের অবস্থান। যে উচ্চতায় পৌঁছতে পারলে মানুষ নান্দনিক সুন্দরকে লালন করে। এখানে মারামারি কাটাকাটি নেই। বিদায়ী পুলিশ সুপারের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে আপনি যেখানেই থাকেন চাঁদপুরকে লালন করবেন। পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বলেন, চাঁদপুরে মাত্র ১বছর ১১দিন কাজ করেছি। এখানে পুলিশিংটা স্বর্গের মতো ছিলো। এই প্রথম কোনো জেলায় আমি ওয়ালেছ সাথে না নিয়ে ঘুমিয়েছি। এখানে আইনশৃঙ্খলা অন্য যে কোনো জেলার চেয়ে ভালো। এখানকার মানুষ খুবই সচেতন। যে কোনো সমস্যায় সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে।

তিনি আরও বলেন, অন্য যে কোনো জেলার চেয়ে চাঁদপুরে ভালো কেটেছে। এই জেলাকে প্রশাসনিক জেলা বলা যায়। এখানে প্রশানকে অনেক সম্মান করা হয়। কারণ এই জেলায় শিক্ষিত মানুষ, তারা আইন মেনে চলে। এখানকার কমিউনিটি পুলিশিং ব্যাবস্থা প্রশংসার দাবীদার। চাঁদপুরবাসীকে খুব মিস করবো এবং টেনিস ক্লাবকেও মিস করবো। আপনারা লোকজনকে সম্মান করতে পারেন, ভালোবাসতে পারে। আর ভালোবাসা যে দেয় সে ভালোবাসা পায়। আপনাদের ঋণ শোধ করার চেষ্টা করবো। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় এমসয় চাঁদপুর ক্লাব ও ক্রিড়া সংস্থার সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।