চাঁদপুর-ঢাকা সকল প্রকার লঞ্চ চলাচল বন্ধ

ছবি: মাহফুজুর রহমান

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র বলছে, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ক্রমেই শক্তি সঞ্চার করে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের কারণে চাঁদপুর থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চসহ সকল ধরণের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষনা করেছে বিআইডাব্লিউটিএ চাঁদপুর।উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত যাএীবাহী সকল নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। বিআইডাব্লিউটিএ চাঁদপুরের বন্দর ও পরিহন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা বলেন, পূর্বের সময় অনুযায়ী শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত সিডিউলে থাকা লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশ্যে চাঁদপুরঘাট ত্যাগ করছে। ১০টার পর থেকে চাঁদপুর ঘাট থেকে আর কোন লঞ্চ নৌযান পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। দূর্যোগ মোকাবেলার জন্য বিআইডিব্লউটি এ চাঁদপুর কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। চাঁদপুরকে ১ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটের লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি আলী আজগর সরকার বলেন, শুক্রবার সকাল থেকে সিডিউল অনুযায়ী সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সকল নির্দিষ্ট সময়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে চাঁদপুর ঘাট ত্যাগ করেছে। চাঁদপুরে হালকা বাতাস ও বৃষ্টি রয়েছে। এদিকে সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের বাসভবনে ঘুর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলার কারণে যে সকল সরকারি কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন, তাদের অভিলম্বে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগদিতে হবে। দুর্যোগ মোকাবেলায় ৫৮টি মেডিকেল টীম, স্থানীয় স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়াও নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও প্রস্তত। সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং বলগেট, ড্রেজার ইত্যাদি ছোট নৌযানগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। বিভিন্ন চর অঞ্চলে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।