জননেতা সুজিত রায় নন্দীর জন্মদিন আজ: বিডি কারেন্ট নিউজ২৪’র শুভেচ্ছা

মাহফুজুর রহমান: আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জননেতা সুজিত রায় নন্দীর সোমবার (৩ জানুয়ারি) শুভ জন্মদিন।

সুজিত রায় নন্দীর শুভ জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিডি কারেন্ট নিউজ২৪’র উপদেষ্টামন্ডলীর সভাপতি কর্ণেল অবঃ মোশাররফ হোসেন, পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, সম্পাদক প্রভাষক ডাঃ শেখ মহসীন সহ বিডি কারেন্ট নিউজ২৪ পরিবার।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, সুজিত রায় নন্দী গণমানুষের কন্ঠস্করের নাম, তৃণমূল এক নেতার নাম। চাঁদপুরের অসহায় গরিব-দুঃখী মানুষের আপনজন হিসেবে তিনি সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছোন। এমন একজন জনপ্রিয় জনদরদি নেতার জন্মদিনে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

সুজিত রায় নন্দী ১৯৬৮ সালের আজকের এই দিনে চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম কাসিশ্বর রায় নন্দী ও মাতার নাম হিরণ প্রভা রায়।

এস.এস.সি ও এইচএসসি শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগ থেকে স্নাতক ও এমকম ডিগ্রি অর্জন করেন সুজিত রায় নন্দী। ছেলে বেলা থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন বর্ণ্যাঢ্য এই রাজনীতিবিদ।

১৯৮৪ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন সুজিত রায় নন্দী। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে ঢাবির জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও ৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ হলের এজিসি ও পরে জিসি হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯২ সালে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও ১৯৯৪ ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে ছাত্রলীগের জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

২০০৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ-সম্পাদক, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১২ সালে ফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বাইশ জনের মাঝে সুজিত রায় নন্দীকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একাধারে তিনি একজন সমাজসেবক ও একজন দানবীরও বটে। চাঁদপুরবাসী তাকে দাদা বলে একনামে সম্মোদন করেন।

তিনি নিজ এলাকার ফরাক্কাবাদ ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। চাঁদপুর সিটি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতিও তিনি। এছাড়া কুমুরুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং বালিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক তিনি। একাধারে তিনি কুমুরুয়া সূর্য রায় নন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও গভনিং বডির সদস্য, ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য, চর ফতেজংপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, ফরক্কাবাদ সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা, ঈশানবালা এম জে এস উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অপরিসীম অবদান রাখেন ও রাজরাজেশ্বর মোজাফ্ফরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা।

পাশাপাশি ঢাবির জগন্নাথ হলের এ্যালমোনাই এ্যাসোসিয়শনের সদস্য সুজিত রায় নন্দী। ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি), বরিশাল এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যও তিনি। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এবং চাঁদপুর জেলা সমিতির আজীবন সদস্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় এ নেতা।

এছাড়া চাঁদপুর ও হাইমচরের বেশ কয়েকটি মসজিদ, মন্দির ও এতিম খানার উপদেষ্টা তিনি। চাঁদপুর ও হাইমচর এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজের উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনে বেকার ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য অবদান রেখেছেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক। নানা সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি, সব কিছুতে তার অবদান অনস্বীকার্য।