টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত শামীম

স্পোর্টস ডেস্ক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের তরুন ব্যাটসম্যান শামীম পাটোয়ারি। তিনি জানান, ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ভালো ব্যাটিং দেখিয়ে প্রত্যাশা পূরণ করতে প্রস্তুত তিনি।

গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য হবার পরই সিনিয়র দলে তার জায়গা পাকাপোক্ত করেন শামীম। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে লোয়ার-অর্ডারে ব্যাটিংয়ের পারদর্শী একজনকে খুঁজছিলো বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। এছাড়া তার দুর্দান্ত ফিল্ডিংও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের শামীম বলেন, এটি (বিশ্বকাপ]) একটি বড় মঞ্চ এবং এখানে অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় থাকবে। তাই আমি মনে করি সেখানে ভাল করা আমার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলাম। এখানেই আসল বিশ্বকাপ। ভালো ফলাফল করার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবারের মত বাংলাদেশ দলে সুযোগ পান শামীম। ঢাকা প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স তাকে দলে সুযোগ করে দেয়।

ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মত সিরিজ জয়ের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ।

দলে সুযোগ পাওয়ার পর এখনও কোন সিরিজ হারের স্বাদ পাননি শামীম। এজন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন তিনি। শামীম বলেন, আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি, আমি দলে আসার পর আমরা তিনটি সিরিজ জিতেছি। তাই আমরা বিশ্বকাপে ভালো করার ব্যাপারে খুব আশাবাদী।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন শামীম। ঐ সিরিজে স্লো উইকেটের কারনে রান করতে রীতিমত সংগ্রাম করতে হয়েছিলো ব্যাটসম্যানদের। তবে বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানরা ভালো অবস্থায় থাকবে বলে মনে করেন শামীম।
তিনি বলেন, ‘উইকেট আপনাকে অনেক উপকার করতে পারে। আপনি যেমন দেখেছেন, এখানে উইকেট ভিন্ন ছিল এবং আমরা

সাবলীলভাবে স্কোর করতে পারিনি। কিন্তু সাধারণত বিশ্বকাপের উইকেট ভালো হয়। আমাদের সিনিয়র খেলোয়াড়দের দেখে আমি বেশ আশাবাদী, তারা খুব ভালো করবে। আমাদের প্রধান ব্যাটসম্যানরা এখানে সফল হয়নি এবং আমি মনে করি, তারা সেখানে ভালো করবে।

শামীম জানান, টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদসহ দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছেন।

শামীম বলেন, আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে এসেছি। অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং জাতীয় দলে খেলার মধ্যে অবশ্যই কিছু পার্থক্য আছে। কিন্তু সিনিয়র খেলোয়াড়রা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। অধিনায়ক সব সময় আমাকে সমর্থন করেছেন।