তাড়াইলে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ

রুহুল আমিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সরকারি সম্পতি সরকারের দখলে নেওয়া ও ১ নং খতিয়ানের অর্ন্তভুক্ত করার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরারব ২৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার নুর মিয়া ও মতিউর রহমান বাদি হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।         

জানা যায়, উপজেলা ধলা ইউনিয়নের ভেইয়ারকোনা মৌজার ১ একর ৪২ শতাংশ ভূমি এলাকার প্রভাবশালী সিদ্দিকুর রহমান অবৈধভাবে নিজের দখলে নিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভোগদখল করে চলেছে।      

৪ ফেব্রয়ারি (২০২০) উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর এলাকার মতিউর রহমান ও নূর মিয়া বাদী হয়ে ১ একর ৪২ শতাংশ ভূমি উদ্ধারের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছিল। কিন্তু ২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ধলা ইউনিয়ন সহকারী কমিশনার (ভূমি) 
আশরাফ উদ্দিন পারভেজ তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা ভূমি অফিসে জমা না দেয়ায় তারা দু’জন আবারো ২৪ ফেব্রুয়ারি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক বরাবর।         

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধলা ইউনিয়নের ভেইয়ারকোনা মৌজার ৬২৭ সাবেক দাগের ৯৫ শতাংশ ও ৬১৬ দাগের ৪৭ শতাংশ মোট ১ একর ৪২ শতাংশ ভূমি পাক-ভারত যুদ্ধের সময় গিরিশ চন্দ্র পাল ও তার বংশধরগণ কারো নিকট বিক্রি না করে ভারতে চলে যান। উক্ত পরিত্যাক্ত সম্পত্তি পরবর্তিতে বাংলাদেশ ভিপি সম্পত্তিভূক্ত করে সরকার লিজের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় করে আসছে। উক্ত ভিপি সরকারের ভূমিতে কিছুদিন পূর্বে ভেইয়ারকোনা গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি সিদ্দিকুর রহমান অবৈধভাবে ১ একর ৪২ শতাংশ ভূমি নিজের দখলে নিয়ে যায়। যার ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

এলাকার মতিউর রহমান, খোকন মিয়া ও  ফজলু রহমানসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, সিদ্দিকুর রহমান অর্থলোভী মানুষ। অন্যায়ভাবে সরকারি সম্পতি দখলে নিয়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভোগদখল করে চলেছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তারেক মাহমুদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অভিযোগটি তদন্তের জন্য ধলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছি।