দিরাইয়ে জামায়াত নেতার উপর সরকারি জায়গায় ও অসহায় কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ :

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের  দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের নূর নগর গ্রামের  দয়াধুপনি মৌজার ও শামিপুর মৌজার সরকারি জায়গায়  এলাকার মানুষের জনের চলাচলের রাস্তা ও অসহায় এক কৃষকের জমি আইনী নিষেধ অমান্য করে দখল করেছে স্থানীয় জামায়াত নেতা শাব্বীর আহমেদ ও তার বাহিনীর প্রধাণ তাজুল ইসলাম। জামায়াত নেতা শাব্বীর আহমদ উপজেলা প্রশাসন ও এলাকার সালিসকে বৃদ্বাআঙ্গুলী দেখিয়ে এই সরকারি জায়গায়  ও অসহায় মানুষের জায়গায় জোর পূর্বক দখল করে জমিতে ধানের চারা রুপন করে। এলাকাবাসী জানান, স্বাধীনতা পর থেকেই আমরা এই জায়গা দিয়ে আমাদের পশু চড়ানো ও হাওর পথে যাচ্ছি। শাব্বীর আহমেদ ও তাজুল ইসলাম নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য সরকারি জায়গায় ও এক অসহায় গরীব কৃষকের জায়গায় দখল করে তার লাটিয়াল বাহিনী দিয়ে। আমাদের হাওরের যাওয়ার রাস্তা ও গরু চড়ানোর কাজে অনেক সমস্যা হইতেছে।

স্থানীয়রা আরো জানান,দয়াধুপনি মৌজার ও শামিপুর মৌজার জায়গা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তফশিল অফিস,  দিরাই থানার ইনচার্জের কাছে একটি অভিযোগ দিলে সকল অফিসের কর্মকর্তাগণ ছয়দিনের সময় নিলে এই ছয়দিনের আগেই জোর পূর্বক ভাবে আইন অমান্য করে প্রায় ৩ কেদারা জমিন দখল করেন অভিযুক্ত জামায়াত নেতা , শাব্বীর মোল্লা,সামছুল ইসলাম  ও তাজুল ইসলাম। নূর নগর গ্রামের বাসিন্ধা অসহায় আব্দুল  কাইয়ূমের  ছেলে রেখানূর মিয়া, কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, আমি একজন অসহায় মানুষ, ।  তাজুল ইসলাম ও শাব্বীর মোল্লা,তাদের ভাই ভাতিজা মিলে আমার দয়াধুপনি মৌজায় জায়গা দখল করেছে।

ওরা আমার জায়গায় দখল করার স্বার্থে বিগত কয়েকদিন আগে আমাকে প্রাণে মারার উদ্দ্যেশ্যে ধারালো রামদা দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি গুরুত্বর আহত হয়ে বহুদিন চিকিৎসা দিন ছিলাম। এর আগে  আমার তিন চারটি গাবদী পশুকে প্রাণে হত্যা করে। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকার সালিস ব্যাক্তিগণ অবগত আছেন। আমি দিরাই উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাচ্ছি এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য। 

এ বিষয়ে শাব্বীর মোল্লা’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সদরত বক্স চৌধুরী ও সাকি চৌধুরী’র কাছ থেকে আমরা  এই জমি ক্রয় করেছি। 
এব্যাপারে দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুর রহমান মামুন বলেন, আমি কেবল নতুন এসেছি, । এবিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো,।