দীর্ঘ দুই মাস পর চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে লঞ্চ চলাচল শুরু

নিউজ ডেস্ক: আবারো সরগরম হয়ে উঠেছে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল। ৩১ মে রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর সদরঘাটের উদ্দেশে চাঁদপুর ত্যাগ করেছে বেশ কয়েকটি লঞ্চ। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ ছিল। তবে সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে আজ সকাল থেকেই নদীপথে চাঁদপুর-ঢাকা যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। 

রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় “এমভি সোনারতরী”  নামে প্রথম লঞ্চটি বিপুল সংখ্যক যাত্রী নিয়ে রাজধানীর সদরঘাটের উদ্দেশে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল ত্যাগ করে। তারপর এমভি রফরফ নামে আরো একটি লঞ্চ ছেড়ে যায়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আরো কয়েকটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে চাঁদপুর ত্যাগ করার কথা রয়েছে। তবে রাজধানীর সদরঘাট থেকে সকাল ১১টার পর চাঁদপুরের উদ্দেশে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে আসার কথা রয়েছে। 

এদিকে যাত্রীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার করে লঞ্চে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে বাড়তি চাপের কারণে লঞ্চের ভেতরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে দেখা যায়নি। যাত্রীরা বলেছেন, জীবিকার প্রয়োজনে কর্মস্থলে ছুটে যাচ্ছেন তারা। অন্যদিকে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলেছেন, যাত্রী সামাল দিতে তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে। 

এই পরিস্থিতিতে লঞ্চ চলাচল শুরু হলেও নৌ-পুলিশ এবং চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে টার্মিনালে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। তবে সকাল থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষের কাউকে সেখানে দেখা যায়নি।    এমভি সোনারতরী লঞ্চের সুপারভাইজার আব্বাস আলী বলেন, সরকার এবং মালিকের নিদের্শ নেমে আমরা যাত্রী পরিবহনের চেষ্টা করছি।

বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক, বন্দর কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, করোনা পরিস্থিতিতে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে একটি ট্যানেল স্থাপন করার কথা ছিল। কিন্তু ঢাকা থেকে তা সরবরাহ না হওয়ায় আপতত যাত্রী সুরক্ষায় আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারিনি। তবে ট্যানেলটি চলে আসামাত্র তা টার্মিনালের প্রবেশ মুখে স্থাপন করা হবে। 

এদিকে চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করতে দেখা গেলেও নারায়ণগঞ্জসহ আরো কয়েকটি নৌপথে লঞ্চ চলতে দেখা যায়নি। স্বাভাবিক সময় চাঁদপুর থেকে বিভিন্ন নৌপথে ৩৫-৪০টি যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করতো।