নিরাপদ সড়ক চাই?

এমরান হোসেন রাজন: চাঁদপুর শহর হচ্ছে দেশের ছোট্ট শহরের মধ্যে অন্যতম আধুনিক শহর।চাঁদপুরবাসী, জেলা প্রশাসন সহ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ এইজন্য যে, বিশ্বখ্যাত ইলিশ মাছের নামে এ জেলার নামটি যুক্ত করেছেন এবং আমাদের বিশ্বব্যাপী সম্মানিত করেছেন অর্থাৎ “ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর”। এ অর্জনের পিছনের সকল কলাকৌশলীদের জেলাবাসীর পক্ষে এ প্রতিবেদকের স্যালুট।

ছোট্ট ও সুন্দর শহরটি তার মান হারাতে চলেছে মাত্রাতিরিক্ত অটো-রিকশা ও সিএনজির জন্য। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে ছোট-বড় দূর্ঘটনা। ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। পঙ্গুত্ব বরন করেছেন শত শত। এর প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছে নিরাপদ সড়ক চাই, চাঁদপুর জেলা কমিটি।

সড়কে আর যেন অনাকাঙ্খিতভাবে কারো প্রাণ না হারাতে হয় সেজন্য তারা এ বছর ব্যাপক কর্মসূচী পালন করেছেন যা চোখে পড়ার মতো। এই কর্মসূচীর ফলে সচেতন মহলের বিবেককেও নাড়া দিয়েছে নতুন করে। সড়ক দূর্ঘটনা এড়াতে ও যানবাহনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র কর্মসূচীর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সড়কে বিকল্প ডিভাইডার স্থাপন। অতীব দূর্ভাগ্য এই যে, যাদের জান-মাল রক্ষায় সচেতন হওয়ার লক্ষ্যে ডিভাইডার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত দেখা যায় ডিভাইডারে ব্যবহৃত খুঁটিগুলো একত্রিত হয়ে আছে অথবা পড়ে লন্ডভণ্ড হয়ে আছে।

প্রতিনিয়তই দেখা যাচ্ছে সাদা পোশাকে একটি লোক এগুলোকে যথাযথ সংরক্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে। যখনি যাতায়াতের সময় শত ব্যস্ততাকে হার মানিয়ে তিনি গাড়ি বা বাইক থেকে নেমে ডিভাইডারগুলোকে যথাযথ স্থানে স্থাপন করেন। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় অনাকাঙ্খিতভাবে পরে থাকা বস্তুও সহকর্মীদের নিয়ে সরান। তিনি হলেন চাঁদপুর অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রভাষক ডাঃ শেখ মহসীন। এ কার্যক্রমে সাথে থাকেন তার সহহকর্মীরাও। আসুন নিজে সচেতন হই ও অন্যকে সচেতন করি।