পুলিশের অভিযানে রাজশাহীর তানোরে উপজাতি নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ০১ আসামি গ্রেফতার

রুহুল আমীন খন্দকার, বিশেষ প্রতিনিধি : শনিবার ০৮ মার্চ ২০২০ ইং তারিখে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ বিপিএম, পিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাহমুদুল হাসান, মোঃ মতিউর রহমান সিদ্দিকি এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার গোদাগাড়ী সার্কেল মোঃ আব্দুর রাজ্জাক খাঁনের যৌথ নির্দেশনায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রাকিবুল হাসান এর নেতৃত্বে সটিক সংবাদের ভিত্তিতে তানোরে অভিযান পরিচালনা করে উপজাতি নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ০১ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কচুয়া হটাৎ পাড়া এলাকার উপজাতি ২২ বছর বয়সী এক নারীকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে প্রেম নিবেদনসহ অনৈতিক কাজের কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো কচুয়া উত্তরপাড়া গ্রামের জৈনক মৃত: পিয়ার আলীর ছেলে এই হাসান আলী। তাতে এই আদিবাসী নারী পাত্তা না দেওয়ায় সুযোগ খুঁজতে থাকে হাসান আলী। চলতি মাসের বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ আদিবাসী নারীর স্বামী পার্শ্ববর্তী মোহনপুর থানায় দিনমজুরের কাজ করতে যায়। এই সুযোগে হাসান আলি শুক্রবার গভীর রাত্রে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে আদিবাসী নারীটির ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করতে থাকে। সেই সময় আদিবাসী নারীটির চিৎকারে এলাকার জন-সাধারণ বাড়িটি ঘেরাও করে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ সরজমিনে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে আসামি হাসান আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

অভিযানটি পরিচালনায় ছিলেন, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ছাইফুল ইসলাম মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, তানোর থানা, রাজশাহী। তারা সঙ্গীয় অফিসার ও পুলিশ ফোর্সসহ ধর্ষণ মামলার আসামী ১। মোঃ হাসান আলী (৩০), পিতা- মৃত: পিয়ার আলী, মাতা- মোছাঃ আনোয়ারা বেগম, সাং- কচুয়া উত্তরপাড়া, থানা- তানোর, জেলা- রাজশাহী।

এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, এটি একটি অমানবিক ঘটনা আদিবাসী নারীটির ১টি ০৫ বছরের শিশু সন্তান রয়েছে। আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে আসামি হাসান আলীকে আটক করেছি। পরবর্তীতে বাদির লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা আমলে নিয়ে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পুলিশ হেফাজতে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ওসিসি)’তে মেডিকেল পরিক্ষা-নিরিক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।