ফরিদগঞ্জের সেকদিতে আবারো নিয়মনিতীর তোয়াক্কা না করে চলতেছে অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:- চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১ নং বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের ৭,  ৮, ও ৯ নং ওয়ার্ডে বিরতীহিন ভাবে আবারো চলাচল শুরু হয়েছে শুরু হয়েছে এসব অবৈধ ট্রাক্টর গুলো । 

এতে পথচারী এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত হয়ে পড়েছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নিষিদ্ধ এসব যানবাহনে বাড়ছে দুর্ঘটনা। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী । প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের ।  

ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নাম্বার নওয়ার্ডের মধ্যে দিয়ে চলছে  লাকড়ি বোঝাই অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টর গুলো বেপরোয়া গতিতে আপন মনে ছুটে চলেছে  । এসব যানবাহনের গতি দেখলে মনে হয় বুক কেপে উঠে ।

 বর্তমানে এলাকাবাসী  জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে এসব অবৈধ যানবাহন। এসব যানবাহনের অধিকাংশ চালকই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। নেই কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স।

প্রত্যক্ষদর্শি আব্দুল গফুর বিডি কারেন্ট নিউজকে জানান , আমাদের সেকদি রাস্তার মাথা হয়ে কফিলউদ্দিন বালিকা দাখিল মাদরাসা হয়ে ট্রাক্টর গুলো গাজী বাড়ির সামনে দিয়ে বেপরোয়া ভাবে অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টর গুলো চলাচল করে । এ কারনে ছাত্র-ছাত্রিরা ঠিক মত রাস্তা ঘাট দিয়ে চলাচল করতে পারেনা । জন জীবন বিপন্ন ও ব্যাহত হয় পরিবেশের ভারসাম্য ধুলাবালিতে রাস্তা ঘাট ভরে যায় হাটতে পারেনা সাধারন মানুষ । 

 খোজ নিয়ে দেখা গেছে, এসব যানবাহনের নেই কোনো রেজিস্ট্রেশন বা রোড পারমিট। মূলত কৃষি জমি চাষের জন্য ট্রাক্টর আমদানী করা হলেও অসাধু বালু ও ব্রিকফিল্ড ব্যবসায়ীরা ট্রাক্টরের পেছনের অংশ খুলে ফেলে ট্রলি সংযুক্ত করে বালু ও ইট ও মাটি আনা নেওয়ার ও ইট পোড়ানোর জন্য লাকড়ি বহনের জন্য এটাকে ব্যবহার করে আসছে। বেপরোয়া গতির অনুমোদনহীন এসব ট্রলি চাপায় অসংখ্য মানুষ নিহত হয়েছে,আহত হয়েছে কয়েকশ,সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছে অনেকে, ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়ক গুলোতে ট্রলিট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচলের কারনে আতংকে আছে পথচারীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ সড়ক গুলো ক্ষত-বিক্ষত হয়ে খানা-খন্দে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সর্বত্র পরিবেশ দূষণ ঘটছে, রাস্তার পাশের বাড়ী-ঘর ধুলোয় একাকার,ব্যাহত হচ্ছে জীবন যাত্রা।

চাঁদপুরের সাবেক পুলিশ সুপার সামসুন্নাহার ট্রলিট্রাক্টর চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর গত কয়েকবছর ট্রলিট্রাক্টর চলাচল নিয়ন্ত্রিত ছিলো,কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনের নজরদারী শিথিল হওয়ার সুযোগে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহযোগীতার ফলে উপজেলার সর্বত্র আবার চলছে নিষিদ্ধ এসব যানবাহন।যা প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রশাসনের ভূমিকাকে।তবে কি গোপন আতাত হয়েছে প্রশাসনের সাথে-প্রশ্ন সাধারন ইউনিয়ন ও উপজেলাবাসীর। এমতাবস্থায় অবৈধ এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের জোড়ালো ভূমিকা প্রত্যাশা করছে সাধারণ জনগন।

       উপরোক্ত বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টর গুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা  নিবেন বলেন আশ্বাস দিয়েছেন ।


        উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শিউলি হরী তিনি জানান , সর্বশেষ উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় সড়কে অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টর চলাচল             নিষিদ্ধ করার সিদ্বান্ত হয় । কাগজ হাতে পেলেই ব্যবস্থা গ্রহন করবনে বলে জানিয়েছেন ।