ফরিদগঞ্জে ইউপি সদস্য নেতৃত্বে জোর পূর্বক ভাবে অসহায়দের ঘরের সামনে দেওয়াল তুলে আবদ্ধ রাখার অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি: দেশে যখন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যস্ত প্রশাসন।ঠিক সে সময়ে ফরিদগঞ্জে এক ইউপি মেম্বার জোরপূর্বক ভাবে ভাড়াটিয়া লোক নিয়ে অসহায় গরিব মানুষের ঘরের সামনে দেওয়াল তুলে আবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ। এই নিয়ে এলাকাতে মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রশ্ন জনপ্রতিনিধি যদি অন্যের রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?

থানায় বার বার অভিযোগ করেও তেমন কোন সেবা পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। এমনটি জানিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন ।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন 3 নং ওয়ার্ডের রনাতুলি গ্রামে জিন্নু পাটোয়ারী ও পাশোবর্তি ওয়ার্ড়ের সাইফুল ইসলাম মেম্বার নেতৃত্বে রাঁড়ি বাড়ির আব্দুর সাত্তার, মোতালেব হোসেন, ফজলুর রহমান, রুহুল আমিন, আবুল কালাম,সানাউল্লাহ, মিজান হোসেনসহ তাদের সকলে ঘরের সামনে দেওয়াল নির্মান করেন। এতে করে অসহায় লোকদের আর ঘর থেকে বের হওয়া আর কোন পথ রইলোনা। মানবতার জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের। নিরব দর্শকের ভূমিকা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন এলাকার স্থানীয় লোকজন। এমটাই দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

আব্দর সাত্তার গংরা বলেন,আমরা গরিব মানুষ ভাই। আমাদের ঘরের সামনে জোর পূর্বক ভাবে বাড়াটিয়া লোকজন এনে জিন্নু পাটোয়ারী ও সাইফুল মেম্বার মিলে দেওয়াল নির্মান করেন। এটা আমাদের বাপ দাদার জমি এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় রয়েছে। এখন তারা জোর করে দেওয়াল নির্মান করতেছে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে আমাদের কে ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে মেরে পেলার হুমিক দিয়ে থাকে। আমরা থানা পুলিশের কাছে গেলে তারা আমাদের পাত্তা দিলোনা। আমরা ওসি সাহেব কে বহুবার বলার পরেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। আমাদের সকলের ঘরে বিয়ে উপযুক্ত মেয়ে রয়েছে। আমরা কার কাছে যাব। কে আমাদের এই বিচার করবে। আমরা গরিব বলে চেয়ারম্যান মেম্বার ও পুলিশ আমাদের কথার মূল্য দিলনা। আমরা এই জোরের বিচার আল্লাহ কাছে দিলাম।

জিন্নু পাটোয়ারী বলেন, এটা আমাদের খরিদ কৃত জমি। এই জমি দিয়ে তাদের কে চলতে দিবোনা। আমাদের জমিতে আমরা দেওয়াল নির্মান করেছি তাতে তাদের সমস্যা কি।
ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন বলেন, ঐ পরিবারের লোকজন আমার কাছে আসছিলো কিন্তু আমি তাদেরকে পুলিশের সহযোগিতা কথা বলেছি। কিন্তু আমার মেম্বার সাইফুল কে এই বিষয়ে বাঁধা দেওয়া পেরও সে আমার কথা সুনলোনা। আমি আগামী কাল যাব দেখি কি অবস্থা।
থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব বলেন, আমার কাছে তারা আসছে কিন্তু আমি দেশের পরিস্থিতির করোনা ভাইরাসের সচেতনতা কার্যক্রম নিয়ে ব্যবস্থ ছিলাম। তাই জেতে পারিনি। আর যায়গা জমির কাজ হলো আদালতের। আমরা কি করবো।