ফরিদগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা আহত-২: নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার আত্মসাৎ অভিযোগ

জাকির হোসেন সৈকত, ফরিদগঞ্জ : ফরিদগঞ্জ ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের দারপাড়া গ্রামে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় গুরুত্বর আহত হন  আনোয়ার হোসেন (৪৯) ও তার ভাতিজী মুক্তা আক্তার (১৯)।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আহত দুইজন কে পাশোবর্তি উপজেলার হাজীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।ঘটনার বিবরণীতে জানাযায়, উপজেলার দারপাড়া গ্রামের পালের বাড়ির আনোয়ার হোসেন ও তার বড় ভাই বাচ্চু মিয়াসহ যৌথ ভাবে বিল্ডিং এর কাজ করতে মালামাল আনতে ছিলেন।

এসকল মালামাল হারুন ঘরের পাশদিয়ে সরকারি ভাবে নির্মান কৃত রাস্তা দিয়ে আসতে ছিল। সেই রাস্তা দিয়ে মালামাল নিয়ে আসতে গেলে হারুন বাঁধা দিয়ে গাড়ি বন্ধ করে দেয়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে তা সমাধান করে দেওয়া হয়। সোমবার আনোয়ার হোসেন ইটের টাকা দেওয়ার জন্য গল্লাক বাজারের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে রওনা দেন।

এসময় উৎপেতে থাকে হারুন ও তার দলবল। আনোয়ার হোসেন উপরে অতর্কিত হামলা শুরু করেন। চাচা কে বাঁচাতে তার ভাতিজি মুক্তা আক্তার গেলে তার উপর ও হামলা করেন হারুনের বাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। এসময়ে আনোয়ারের কাছে থাকা টাকা ও তার ভাতিজির গলার হার ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি গল্লাক বাজারে ইটের টাকা নিয়ে যাচ্ছিলাম এই সময় হারুন ও তার গুন্ডাবাহিনী শিবিরের নেতা মিন্টু হেলাল ও বাবুকে নিয়ে আমার উপরে হামলা করে। এইসময় তারা আমার মোটর সাইকেল ভাংচুর করে এবং আমার সাথে থাকা নগদ ১,১৪,০০০ টাকা ও আমার বড় ভাই বাচ্চু মিয়ার মেয়ে মুক্তা বাধা দিতে আসলে তার উপরও হামলা করে এবং তার গলায় একটি সোনার হার নিয়ে যায়।

এসময় আমার ডান হাত ভেংগে যায় বুকে মারাত্মক আঘাত পাই, এবং মুক্তার মাথায়, নাক ও পিঠে মারাত্মক ভাবে আঘাত করে তারা। পরে স্থানীয় ও বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে আমাদেরকে হাজীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।প্রত্যক্ষদর্শী সিরাজুল ইসলাম জানন, এই রাস্তা সরকারের একওয়ারের রাস্তা। এই রাস্তা ব্যবহার নিয়া হারুন ও তার পরিবার কোন প্রকার গাড়ী যেতে পারবেনা বলে বার বার বাড়ির সবাইকে নিষেধ করে।

এগুলো তাদের বাড়াবাড়ি বাড়ির রাস্তা সকলে ব্যবহার করবে। কিন্তু তারা সব সময়ই এগুলো নিয়া ঝামেলা করে।হারুন রশিদের সাথে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ওয়ার্ড় মেম্বার শিপন বলেন, এটা সরকারি রাস্তা এই রাস্তা দিয়ে সকলে চলাফেরা করবে। হারুন একজন দুষ্টু প্রকৃতির লোক। সে কেন বাধা দিয়েছে আমরা বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলবো।এই ব্যপারে ফরিদগঞ্জ থানা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান বাচ্চু মিয়া।