ফারহান নেভিগেশন ঈদ স্পেশাল লঞ্চে ভাড়া নৈরাজ্য

0
64

মোঃ আহাদুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি: ঈদযাত্রায় যাত্রীদের ঢল নামে নৌরুটগুলোতে। নদী পার হয়ে গন্তব্যের পরিবহনে নিজের জায়গা করে নেওয়ার প্রতিযোগিতা থাকে যাত্রীদের মধ্যে। অার সেই ঘরে ফেরা মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নেয় কিছু অসাধু মহল।

অাজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) লক্ষীপুর মজু চৌধুরী লঞ্চ ঘাট থেকে ইলিশা ফেরিঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে অাসা ফারহান-১ (ঈদ স্পেশাল) লঞ্চে যাত্রীরা চেপে বসেন নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ার উদ্দেশ্যে।

দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করিয়ে বিকাল ৫.৩০ মিনিটে লঞ্চটি ঘাট থেকে ছাড়ার পর ইলিশা ঘাটের কাছাকাছি এসে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া অাদায় শুরু করে। এসময় কয়েক জন যাত্রীদের সাথে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে বিষয়টি বিডি কারেন্ট নিউজ ডট কমের প্রতিনিধির নজরে অাসলে নিজের পরিচয় গোপন রেখে ভাড়া অাদায় কারীর কাছে কথা কাটাকাটির বিষয়ে জানতে চান। তখন ভাড়া অাদায়কারী বলেন, টিকেটে নির্ধারিত ১৫০ টাকা দামে টিকেট কাটা যাবে না। ভাড়া ২০০ করে দিতে হবে।
পরবর্তিতে বিডি কারেন্ট নিউজ ডট কমের প্রতিবেদক পরিচয় দিলে যাত্রীরা সবাই জটপাকিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। এমতাবস্থায় লঞ্চের ভাড়া অাদায়কারীর সাথে যাত্রীদের বাকবিতন্ডা শুরু হলে অাদায়করী যাত্রীদের হুমকি দেয়া শুরু করে।

পরবর্তিতে বিডি কারেন্ট নিউজ ডট কমের প্রতিবেদক বিষয়টি ভোলা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ অালম সিদ্দিক কে ফোন করে যানায়। মাননীয় জেলা প্রশাসক বিষয়টি অামলে নিয়ে তাৎক্ষনিক ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ কামাল হোসেনকে ঘটনা স্থলে প্রেরণ করেন।

লঞ্চঘাটে ভীড়ার সাথে সাথেই শংশ্লিষ্ট লঞ্চের ভাড়া অাদাকারী কৌশলে শটকে পরে। পরবর্তিতে উপজেলা কর্মকর্তা জনাব মোঃ কামাল হোসেন লঞ্চের দায়ীত্বরত অন্যদের সকল যাত্রীর ভাড়তি ভাড়া ফেরৎ দিয়ে পরবর্তিতে এরকম কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে কঠোর ভাবে সতর্ক করে দেয়। এসময় ভাড়া ফেরৎ পাওয়া যাত্রীরা জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।