বিভিন্ন রঙের ঘুড়ি উড়িয়ে সময় কাটছে ফরিদগঞ্জের শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের

এ কে ফারাবী: বর্তমান সময়ে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে যখন সারাদেশের মতো ফরিদগঞ্জ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোও বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজরা নানা রঙের ঘুড়ি উড়িয়ে সময় কাটাচ্ছেন। চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামে বিকেল বেলায় নানা রঙের ঘুড়ি উড়তে দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিশু ও বৃদ্ধরাও ঘুড়ি উড়ানোর মধ্যে অংশ গ্রহণ নিচ্ছে।

শহর থেকে গ্রামের এই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ছে। বিকাল থেকে শুরু হয় মাঠে ও বিলে ঘুড়ি উড়ানো দৃশ্য, উড়তে থাকে সন্ধ্যা ও রাত পর্যন্ত। শিক্ষার্থী ও শিশু বৃদ্ধরাও অংশ নিচ্ছে ঘুড়ি উড়ানোর উৎসবে।

রাতে ঘুড়ি উড়ানোর সময় ঘুড়িতে দেখা যায় হরেক রকমের লাইটিং, যা সন্ধা হলেই ব্যবস্থা করা হয়। নানা রঙগের বাতি লাগিয়ে ঘুড়ি যখন আকাশে উড়তে থাকে, তখন রাতের আকাশ অনেকটা তারার মতো দেখা যায়। এসকল ঘুড়ি উড়তে দেখে শিক্ষার্থী ও তরুণ সামাজের পাশাপাশি সকল শ্রেণীর মানুষ আনন্দিত ।

যুবসমাজ যাতে অহেতুক ঘোরাঘুরি ও আড্ডা না দেয় তাই তাদেরকে নিয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর গ্রামের কবির হোসেন নামে এক ঘুড়ির কারিগর বিনামূল্যে ঘুড়ি বানিয়ে দিচ্ছে, কবির হোসেন ডেল্টাটাইম প্রতিনিধিকে বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে ঘুড়ি বানাতে ও উড়াতে পছন্দ করি। এই মৌসুমে প্রায় শাতাধিকের উপরে ঘুড়ি বানিয়েছি। তার তৈরি করা ঘুড়ির মধ্যে রয়েছে জাহাজ ঘুড়ি, পাখি ঘুড়ি, তেলেঙ্গা ঘুড়ি সহ ইত্যাদি।

উপজেলার ইছাপুরা গ্রামের মহসিন নামে আরেক ঘুড়ির প্রেমিক ৫ হাজার টাকা খরচ করে নিজেই তৈরি করেছেন ১৫ ফুট প্রস্থ ও ১২ ফুট উচ্চতার একটি পাছা ঘুড়ি। তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, মহামারীর কারণে ঢাকা থেকে বাড়িতে চলেআসছি, আপাতত কোনো কাজ নাই। তাই দির্ঘদিন চিন্তা করে ছোটবেলার পছন্দের কাজটি করলাম। এতটাকা খরচ করে ঘুড়ি বানানোর বষিয় জান্তে চাইলে তিনি বলেন, শখের জিনিস হাজার টাকা হলে তাতে কি। নিজের কাচে ভালো লাগছে। বহুদূর থেকে মানুষ আসছে আমার ঘুড়ি দেখতে। আনন্দে ভরে যাচ্ছে আমার মন।