মতলব উত্তরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে দোকান নির্মাণ

মতলব প্রতিনিধি: আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক দোকান ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মোকশেদ আলী গংদের বিরুদ্ধে। বাদী পক্ষের রেকর্ড সংশোধনী মামলা উপেক্ষা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বিবাদীরা এ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের খলিল প্রধান উপজেলার চরঝাউ মৌজার সিএস ২০২, আর.এস ২৫০ এ মোট ৩৯ শতাংশ সম্পত্তির মালিক ও দখলকার ছিলেন। তার মৃত্যুকালে এই সম্পত্তি ওনার এক ছেলে ও দুই মেয়ে মালিক ও দখলকার হন। কিন্তু বাংলাদেশ জরিপ কালে উক্ত সম্পত্তি তাদের নামে রেকর্ড ভুক্ত না হয়ে একই গ্রামের মোঃ মোকশেদ আলীর নামে লিপিবদ্ধ হয়।

এই নিয়ে মৃত খলিল প্রধানের মেয়ে সামছুন্নাহার গং রেকর্ড সংশোধনের জন্য চলতি বছরের ১৩ মার্চ চাঁদপুর আদালতে মামলা করেন (মামলা নং ৮১/২০১৯)। মামলার নোর্টিস পেয়ে বিবাদী মোকশেদ আলী গং আদালতে হাজির হন। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে মোকশেদ আলী গংরা উক্ত জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে সামছুন্নাহার তাদের বাধা দেয়। কিন্তু তাঁর বাধা উপেক্ষা করে বিবাদীরা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে থাকে এবং বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

বাদী সামছুন্নাহার বলেন, তার জমিতে জোর পূর্বক দোকান ঘর নির্মাণের বিষয়টি গত ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতের নজরে আনলে আদালত আগামী ৭ অক্টোবর ২০১৯ ইং পর্যন্ত নালিশী জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য আদেশ দেন। কিন্তু বিবাদীরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দিন-রাত দোকান নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন বাদী সামছুন্নাহার গংরা।

এদিকে সামছুন্নাহার গংরা অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নোটির্স মতলব উত্তর থানা পুলিশের কাছে গেলেও তারা দোকান নির্মাণ কাজ বন্ধ করা বা আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। স্থানীয়রা জানান, দোকান ঘর নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এখনই যদি থানা প্রশাসন কোন পদক্ষেপ না নেয় তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এই নিয়ে মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মোরশেদুল আলম বলেন, আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কাগজ আমি দেখেছি। কিন্তু আদালত এই বিষয়ে আমাকে মার্ক করেনি বলে আমি যেতে পারবো না।