মতলব উত্তরে ইভটিজিং এর ঘটনাকে কেন্দ্রকরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-২

মুুহা:সাজ্জাদ হোসেন,মতলব উত্তর (চাঁদপুর)প্রতিনিধি: মতলব উত্তরে ইবটিজিংএর ঘটনাকে কেন্দ্রকরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মা ও ছেলে সহ ২ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা যায় গত ৬ অক্টোবর দুপুরে কালিপুর বাজার সংলগ্ন বেরীবাধের উপর ইমামপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের ৩ ছেলে সহ গ্রামের ২৫/ ৩০ জন যুবক হামলা করে কালিপুর বজার সংলগ্ন বার মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলি প্রধানের ছেলে ফরিদ আহমেদকে এবং তার মা অজুপা বেগমের উপর হমলা করে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে এলোপাতালী মারধর করে তাদেরকে গুরুতর জখম করেন বলে ফরিদ আহমেদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলি জানান ।

তিনি আরো জানান গজারিয়া থানার গোয়াগাছিয়া গ্র্রামের নিলয় নামে এক যুবক কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক ছত্রীর সাথে স্কুলের সামনেই ঐ মেয়েকে উক্ত্যক্ত করত এ বিষয়ে নিলয় এর অভিভাবকদের জানালে তারা স্কুলের শিক্ষকদের কাছে নিলয় এর পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়েযান এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর করবে না অঙ্গিকার করে যান।

কিন্তু তারপরেও নিলয় ঐ মেয়ের পিছু ছাডয়েনি প্রায় সময় তার কিছু সংগপঙ্গ সাথে নিয়ে স্কুলের গেইটের সামনে দাডরিয়ে থেকে ঐ মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং গত ৬ অক্টোবর দুপুরে নিলয় স্কুলের সামনে আসলে দু পক্ষের মাঝে কথা- কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধার সম্ভাবনা দেখে আওয়ামীলী নেতা লোকমান হোসেন,তার ছেলে সমু ঢালি সহ উভয় পক্ষকে মারামারি না করার জন্য অনুরোধ করে তারা ।

তার পর উভয় পক্ষ ঐ স্থান ত্যাগ করে চলেযান বলে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী ও স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান। ১ ঘন্টা পরে পুনরায় কালিপুর বাজার সংলগ্ল বেরীবাধের উপর দু পক্ষের সংঘর্ষে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলির ছেলে ফরিদ আহমেদ (৩৫) কে মারধর করে গুরুতর জখম করেন । খবর পেয়ে ছেলে ফরিদ আহমেদকে বাচাঁতে গেলে তার মা অজুফা বেগমকেও মারধর করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে আওয়ামীলীগ নেতা লোকমান হোসেন ঢালি ও তার ছেলে সমু ঢালি সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে মারামারি না করার জন্য অনুরোধ করলে উত্তর ইমামপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে সৌরব,সায়মুন ও সাইফুল তাদের দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌডরে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান ।

এবং গুরুতর আহত হওয়া ফরিদ আহমেদকে তাৎক্ষনিক মতলব উত্তর উপজেলা মরদিন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান তার আত্বীয়রা । স্থানীয়রা আরো জানান, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা লোকমান হোসেন ঢালি ও তার ছেলে সমু ঢালি সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ঘটনস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং তারা না গেলে দু পক্ষের সংঘর্ষে বডর ধরনের দুর অগটন ঘটে যেত বলে স্থানীয়রা জানান। এব্যাপারে মতলব উত্তর থানায় ফরিদ আহমেদের পরিবারবর্গ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান স্থানীয়ারা।