মুক্তিযোদ্ধ না করে পুষিয়ে নেওয়া কি সম্ভব? ওবায়দুর রহমান কুবাদ…. 

ওরা স্বইচ্ছায় মাতৃভূমির জন্য প্রাণ দিতে যুদ্ধে গিয়েছিল,কেউ গিয়ে হয়েছে শহীদ কেউ বেঁচে গিয়ে হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা।তাইতো আজ আমরা গর্বের সঙ্গে কথা বলি আমরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য।

আজ যদি দেশ স্বাধীন না হত তাহলে সবাই হত রাষ্ট্র দ্রোহী হয়ে আমরা হতাম রাষ্ট্র দ্রোহ পরিবারের সদস্য,যার গ্লানি সারা জীবন আমরা টানতে হত এটাই বাস্তবতা। 

কারণ একটি সাংবিধানিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নির্যাতন, নিপিড়ন,ন্যায্য অধিকার থেকে বন্ছিত হয়ে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলেন জাতির পিতার নির্দেশে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়নি এরপর ও হারাতে হয়েছে ত্রিশ লক্ষ তাজা প্রাণ।হানাদারেরা জোর পূর্বক ইজ্জত কেড়ে নিয়েছে দুলক্ষ মা বোনের।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত না হওয়াতে বিশ্বের ইতিহাসে এত স্বল্প সময়ের মধ্যে স্বাধীনতা অর্জন করাতে তাই ভুলে যেতে বসেছি ১৯৭১ এর সৃতি। 

আজ আওয়ামীলীগের ক্ষমতাধর কেউ বলে প্রাপ্ত বয়স থাকার পরও বুঝার ভুলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেইনি এখন পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।আবার মুক্তিযোদ্ধ ছিল নিসক একটি দুর্ঘটনা আমরা ভাই ভাইয়ে বনিবনাত না হওয়া পৃথক হয়েছি।

হ্যাঁ এটা স্বাভাবিক বুঝার ভুল হতেই পারে তখন হয়তো ভাবেননি দেশটা স্বাধীন হয়ে যাবে।মনে মনে কল্পনা এঁটেছিলেন যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা পরিচালনা করার। 

হ্যাঁ আপনার ভাবনার জবাব নেই, কারণ আপনার পারিবারিক ভাবে তো অনেকেই পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরেছেন। আপনার বংশোদ্ভূত কেউ শহীদ হয়নি, কেউ ইজ্জত হারায়নি,বাড়ী ঘরে লুটপাট অগ্নি সংযোগ হয়নি।

তাই আপনি এই বেদনা বুঝবেন কিভাবে, যে হাড়িয়েছে ধন সেই বুঝিবে যুদ্ধের বেদনা।

আজ ভাবতে কষ্ট হচ্ছে সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাঁদের পরিবারের লোকজন মার খাচ্চ্ছে পদে পদে লাঞ্ছিত হচ্ছে। 

কেন হচ্ছে তা বুজতে কিন্তুু দেশ ও জাতি বাকী নেই আপনারা ১৯৭১ পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে স্বাধীনতা আটকাতে পারেননি।

সুকৌশলে অবস্থান বদল করে উন্নয়নের ফিরিস্তি টেনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ গুলোকে মূখে জাতিরপিতার নাম ব্যবহার করে দিন দিন জামাত শিবির থেকে আপনাদের আমদানি কৃত লোক নির্যাতন নিপিড়ন করে যাচ্ছেন। আসা করি এ গুলো বন্ধ করবেন,মানুষ কে নিয়ো ও মশকারি বন্ধ করুণ। 

দেশ জাতি সমাজ একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার বদৌলতে অনেক উন্নতি লাভ করেছে।মানুষ জাতির পিতার কন্যাকে ভালবাসে, শেখ হাসিনা ও দেশের মানুষকে ভালবাসে এখানে চির ধরাতে গেলে নিজেরাই ধংশ হয়ে যাবেন।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু 
জয়তু শেখ হাসিনা। 

লেখক:  সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা  যুব কমান্ড সুনামগঞ্জ  জেলা।