মৈশাদীতে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে ইউপি কার্যালয়ে অমানবিক নির্যাতন করে পুলিশে সোপর্দ

স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬নং মৈশাদী ইউনিয়নের সচেতন যুবকদের হাতে ৪ অক্টোবর (রবিবার)সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় ইয়াবাসহ ধরা পরল একই ইউনিয়নের ৩ মাদক ব্যবসায়ী। ইমরান ছৈয়াল, মামুন গাজী, সোহান মৃধা সহ কয়েকজন যুবক মৈশাদী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মান্নান খানের এ এম এস ইটভাটায় কাছে নদীর পাড় গেলে দেখে তিনজন যুবক মাদক সেবন ও বিক্রি করছে। যুবসমাজকে সর্বনাশা মাদকের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সচেতন যুবকরা তাদেরকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে তাৎক্ষণিক অবহিত করে। মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান পাটোয়ারী মানিক ঘটনাস্থলে গ্রামপুলিশ ফাটিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সালা উদ্দিন বেপারী (২৭), মোঃ সোহেল গাজী (২৫), মোঃ রিপন তালুকদার (৩৬) কে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় নিয়ে আসে।

ইউপি কার্যালে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ বজলুর গনি জিলন- নেতৃত্বে প্যানেল চেয়ারম্যান-২, হাকিম গাজী, ইউপি সদস্য ফারুক খানের উপস্থিতিতে গ্রাম্য পুলিশ দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। পুলিশের কাছে সোপর্দ না করে নিজেদের খেয়ালি ফনায় গ্রাম্য পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে মাদক ব্যবসায়ীদের শরীরে বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে রক্তাক্ত করে। পরে বিষয়টি মডেল থানায় অবহিত করা হয়। জানা যায় যে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল গাজী মৈশাদী গ্রাম পুলিশ রাসেল গাজির আপন ছোট ভাই, ও রিপন তালুকদার এলাকার জামাই বলে তাদেরকে পুলিশে না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যরা জোরালো চেষ্টা করে। কিন্তু জনগণের তীব্র প্রতিবাদের কারণে শেষ পর্যন্ত তিন মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে বাধ্য হয়।

খবর পেয়ে মডেল থানা থেকে ছুটে আসেন এস আই সাধন ও সঙ্গীয় ফোর্স। এ সময় তারা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে উদ্ধার করা ১৪০ পিস ইয়াবা জব্দ করে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু মাদক ব্যবসায়ীদের কে থানা থেকে চুটিয়ে নেয়ার জন্য একটি দালাল চক্র মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে লবিং করে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন একটি সূত্র।