ময়মনসিংহে পতিতালয় থেকে সেতু নামের কিশোরী খুনের রহস্য!

0
70

করেসপন্ডেন্ট: ময়মনসিংহ শহরের রমেশসেন রোড় পতিতা পল্লীতে গত ইং ১৮/৯/১৯ সেপ্টেম্বর পতিতালয়ের সেতু ১৬ নামে এক কিশোরী খুন হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

সর্দারনীর দাবী সেতু অসুস্হ্য হয়ে পড়লে বিকাল ৪.১৫ টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি পর দিনই রাত ৮ টায় হাসপাতালে মারা যায়।

সুত্র জানায় পতিতালয়ে ১নং বাড়ীর সর্দারনী আনুর ভাড়াটিয়া লাবনীর ঘরের এই মেয়ে দেহ ব্যবসা করতো। ঘটনার দিন কিশোরী সেতু খুবই অসুস্থ্য থাকার পরও তাকে নির্যাতন করে তার ঘরে জোড় করে কাষ্টমার (খদ্দর) পাঠানো হয়। খদ্দের যাবার পরই সেতু নামের এই যুবতী মারাত্নক অসুস্থ্য হয়ে পড়লে, সর্দারনী লাবনী ও অজ্ঞাতনামা একজন কে সাথে নিয়ে ভর্তি করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রাত ৮ টায় সেতু মারা গেলে, সেতুর চিকিৎসার কাগজ পত্র নিয়ে হাসপাতাল থেকে সর্দানী লাবনী পালিয়ে যায় ।

গোপন সুত্রেঃ জানতে পেরে পুলিশ সর্দারনী লাবনীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিছুক একজন বলেন প্রায় দেড়মাস পূর্বে লাভলী, বেবী, বীনা ও অঞ্জান্তনামা সর্দারনী মিলে সেতুকে পতিতালয়ে নিয়ে আসে, সেখান থেকে হাত বদল করে চড়া দামে সর্দারনী লাবনী সেতুকে কিনে নিয়ে আসে তার ঘরে। এদিকে গত ইং ১৯ সেপ্টেম্বর বিকালে সেতুর লাশ পোষ্ট মর্টেম করা হয়। সেতুর কোন আত্মীয়-স্বজন না থাকায় লাছ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমাগারে পড়ে আছে।

উল্লেখ্য যে সর্দারনী সেতুর ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে এফিডিভিট করায় হতভাগ্য সেতুর কেউ তার মৃত্যুর খবরো জানতে পারেনি। এখনো অনেক কিশোরী যুবতী আছে দালালের মাধ্যমে ময়মনসিংহ পতিতালয়ে বিভিন্ন সময় নাবালিকা যুবতী মেয়েদের এনে জোড় করে দেহব্যবসায় বাধ্য কর হয়। যারা বের হওতো দূরের কথা সূর্যের আলোও ঠিকমত দেখতে পারেনা। এর আগেও ১ নং বাড়ীতে থেকে বেবী নামের সর্দারনীর ঘরে যুবতীর লাছ পাওয়া যায় পরবর্তীতে এসব ঘটনা টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। অপর দিকে পতিতাপল্লী আসলাম ও জহুরাকে নারী কেনার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করেছিল ডিবি পুলিশ। এ ছাড়াও। প্রায় ৫০ সর্দারনীর মধ্যে বেশীর ভাগ সর্দারনীর নামে নারী নির্যাতন মামলা রয়েছে।