“যে নারীর আঁচলের ছায়াতলে মিলে পরম স্নেহ, মায়া-মমতা,ভালোবাসা আজ সেই নারীর নিরাপত্তাই যেন প্রশ্নেবিদ্ধ!”

কানিজ ফাতেমা নিপাঃ সম্প্রতি সমগ্র দেশব্যাপী যে ঘৃণ্য অপরাধের মরন খেলায় যুবসমাজ থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী এবং বৃদ্ধরা মেতে উঠেছে তা ক্রমশই অগ্নিরূপ ধারণ করছে। বর্তমানে ধর্ষণ নামের ঘৃণ্যতম অপরাধটি বর্বরতার সর্বোচ্চ শিখরে আহোরণ করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্ষনের সংস্কৃতি বিরাজ করছে।

অর্থাৎ যেখানে প্রতিদিনই প্রত্যেক নারীকে, কন্যা শিশুকে,কিশোরীদের ধর্ষনের চেষ্টা বা পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।যে নারীর আঁচলের ছায়াতলে মিলে পরম স্নেহ, মায়া-মমতা,ভালোবাসা আজ সেই নারীর নিরাপত্তাই যেন প্রশ্নেবিদ্ধ!
আইনের প্রয়োগের ঢিলেমি এবং সামাজিক অবক্ষয়ের জন্য বাংলাদেশে দিন দিন ধর্ষন বাড়ছে।


ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি)সারা দেশ থেকে দিনে গড়ে পাঁচ -ছয় জন ধর্ষনের শিকার নারীরা চিকিৎসা নিতে আসেন।ওসিসি প্রতিমাসে গড়ে দেড় থেকে দুই শতাধিক ধর্ষনের শিকার নারীদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।অন্যান্য হাসপাতালের রেকর্ড ওসিসির জানা নেই।

অনেক ভুক্তভোগী লজ্জায় চিকিৎসা নিতে আসেন না।সম্প্রতি অপহরন করে ধর্ষনের চিত্র বেড়েছে দ্বিগুণ হাড়ে।ধর্ষন করে হত্যার দৃশ্যও প্রকট হাড়ে বেড়েছে।সাধারণত ১৬-২০ বছরের মেয়েরা বেশি ধর্ষনের শিকার হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশের মতে ২০১৮সালে শিশু ধর্ষনের মামলা ছিল ৭২৭, নারী ধর্ষনের মামলা ৩হাজার ৯০০ টি।এর মধ্যে ১২শিশু ও ২৫জন নারী ধর্ষনের ফলে মারা যায়। ২০১৯ সালে শিশু ধর্ষনের মামলা ৮১৫ ও নারী ধর্ষনের মামলা ছিল ৫হাজার ৪০০ টি।ধর্ষনের ফলে ১৪শিশু ও ২১জন নারী মারা যায়।
ধর্ষনের শিকার হওয়া অনেক নারী নিজেদের লোকচক্ষুর আড়াল করে নেয়।
এ লজ্জা কার?