রেলওয়ের শতাদ্বিক পরিবার চাঁদপুর পৌর সভার সুবিধা থেকে বঞ্চিত

ত্রস আর শাহ আলম: জনপ্রতিনিধিরা কথা রাখেনি বাগত ৫-১০ বছরে ও, কিন্তু ভোটের সময় নিজেকে বিজয় করতে চেয়ার দখলের তেল মালিশ করে ভোটারদের।

চাঁদপুর শহরের পৌর সভার ৬ নং ওয়ার্ড ৫ নং ঘাট। তেলের ডিপুর সামনে রেলওয়ে কলোনীর শতাদ্বিক পরিবার পৌর সভার সেবা সমুহ সহ সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত বিগত বছরের পর বছর, এমন তর্থ্য সুত্রে শনি বার বিকেলে ওই এলাকায় সরজমিন গেলে দেখা যায় ত্রলাকাবাসির নাকালের শেষ নেই, তার সাথে পৌর সভার ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের বিরুদ্বে অভিযোগের ঝুলি, এ যেনো এক কাব্য কবিতার মত।, তবুও বাস্তব, সেখানকার মানুষের জীবন যাপন যেনো অসহায় অযো পাড়া গাঁও থেকেও অনেক নাজুক।

জানা যায় এলাকায় মোট শতাদ্বিক পরিবার বসবাস করে পৌরসভার ভোটার হয়ে, কিন্তু পৌর বাসিন্দা হয়ে তাদের জর্ন পৌর সভার সাপ্লাই পানির কল নেই, যার কারনে অনেক দূর গিয়ে ডাকাতিয়া নদিতে গোসল সেরে কাপর কেচে কলস ভরে খাবার পানি আনতে হয়,
তাছারা সরকারি টয়েলেট টি বিগত কয়েক বছর সেপটি টেংন্কি ভড়াট হয়ে খোলা ভাবে ময়লা বের হচ্ছে, যাহা নির্ন্মান করার জর্ণ বহু বার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ন কবির সুমন ও মহিলা কাউন্সিলর শাহনাজ বেগম কে অবগত করেছে এলাকাবাসি কয়েক বার, দুঃখ্যের বিষয় হচ্ছে ওয়ার্ড প্রতিনিধির কোন টনক নরেনি যার কারনে মল মুত্রের মাঝে তাদের বসবাস করতে হচ্ছে, যখন খোলা টয়েলেটের ছবিটা তুলা হয় তখন ময়লার দরূর্গন্ধে কাছে যাওয়া যায়নি, আর টয়েলেট গিরে মানুষের বসত ঘড়,

এদিকে এলাকার জরিপে দেখা যায় গাজি বাড়িতে ১২ টি পরিবার, দেলু গাজির বাড়িতে ভাড়াটে সহ ৫ পরিবার, খোকন মহরীর বাড়িতে ভাড়াটে সহ ১০ পরিবার, মোঃ আবুল হোসেন মিঝির ভাড়াটে সহ মোট ১৫ টি পরিবার,হারুন বেপারি ১ পরিবার, বাদশা বেপারির ১ পরিবার,সেলিম গাজি,শফিক পাটোওয়ারি,নজরুল ইসলাম তার ভাড়াটে সহ মোট ১৫ টি পরিবার বসবাস করে শহিদ চোদ্দার ত্রর ভাড়াটে সহ মোট ৫ পরিবার সহ আশ পাশে আরো ১০-১৫ টি পরিবার রয়েছে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে সামান্য সমস্যার জর্ন্য।

ভোক্ত ভুগি তারা জানায় নির্বাচন আসলে প্রার্থীরা আমাদের কাছ থেকে ভোট নিতে ত্রসে অনেক আশ্বাষ দেয়, আর বিজয় হলে তাহা ভুলে যায়,আমরা ওয়ার্ড কাউন্সিলদের ধারে ধারে গুরেছি আমাদের উল্লেখ যোগ্য সমস্যা সমাদান করতে,ত্রবং পৌর সভায় কয়েকবার আবেদন করেছি আমাদের সমস্যা সামাদান করতে, তাতেও কোন লাভ হয়নি, তাছারা আমরা পৌর সভার ভোটার অথচ আমাদের কোন হোলডিং নাম্বার নেই, যার কারনে আমরা পৌর সভার সনদ আনতে গেলে হোলডিং নাম্বার চাইলে দিতে পারি না বলে পৌর সভার সনদ পাই না।

আমরা ত্রমন পৌর সভার নাগরিক যেখানে আমাদের নাগরিকত্ব কোন অধিকার নেই, যেখানে আমরা পৌর বাসিন্দা হয়ে ও পৌর সভার সকল সেবা থেকে বঞ্চিত সেকানে নাগরিকত্বের অধিকার থাকবে কেমন করে।

বর্তমানে ওই ত্রলাকার শতাদ্বিক পরিবার শত শত মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে সাপ্লাই পানির কল আর টয়েলেটের কারনে , খোলা সরকারি টয়েলেটের কারনে মাছি মোশার বিস্তার বৃদ্ধি পায়, আর ময়লায় বসে থাকা মাছি মোশা গুলি ঘড়ে ত্রসে খাবার উপর পরে, সেসব খাবার খেয়ে ছোট বড় সবাই নানাহ ধরনের পেটের পিড়া সহ ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত,

এদিকে কাউন্সিলর হুমায়ন কবির সুমন ও শাহনাজ বেগমের ফোন নাম্বার না থাকার কারনে আমরা তাদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করতে পারি নেই,তবে আমরা মনে করি পৌর সভার পৌর পিতা এই বিষয়ে অতবি জড়রি পদক্ষেপ গ্রহন করে, সাপ্লাই পানির কল, সরকারি টয়েলেট নির্ন্মান ও হোলডিং নাম্বার বসিয়ে এলাকা বাসিকে সুবিধা ভোগ করার সুযোগ করে দিবেন,

আর তাই ভোক্ত ভুগি ত্রলাকাবাসি পৌর সভার সুযোগ্য মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জোরালো দাবি করেন যে উল্লেখ যোগ্য সমস্যা সমাদানে পৌর পিতার দৃষ্টি পড়বে।

এখানেই শেষ নয় সমস্যা সমাদান না হলে ধারাবাহিক ভাবে আরো তর্থ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হবে।