দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতায় শ্যামারচর বাজারে ইউপি সদস্যের লিফলেট বিতরণ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস আতংঙ্ক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের শ্যামারচর বাজারে এক সচেতনতা মূলক সভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শ্যামারচর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ৪নং চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস তালুকদারের স্ব-উদ্যোগে বাজারের অফিস কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্যামারচর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ৪নং চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস তালুকদারের সভাপতিত্বে ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান ধন মিয়ার সঞ্চালনায়  সভায় বক্তব্য রাখেন শ্যামারচর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সজল কান্তি দাস,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ব্যবসায়ী মোঃ আজিজুল হক,কোষাধ্যক্ষ নিশিকান্ত চৌধুরী,ব্যবসায়ী আশকর আলী,প্রদীপ মিয়া,সবিনয় রায়,জগদীস দে, ডাঃ পীজুষ চৌধুরী ও আশরাফ মণির প্রমুখ। এছাড়াও বাজারের সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। শ্যামারচর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ৪নং চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস তালুকদার বলেন,করোনা ভাইরাস একটি সংক্রামন ব্যাধি হিসেবে বিশ্বব্যাপী এর প্রাদুভাব ছড়িয়ে পড়েছে।

এই করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জনসচেতনার কোন বিকল্প নেই। তাই কোন লোকজন আপাতত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে যাওয়া এবং গেলে সব সময় মাস্ক ব্যবহার করা অতীব জরুরী বলে মন্থব্যে করেন  । তিনি আরো বলেন,কোন ব্যবসায়ী গুজবে কান দিয়ে অহেতুক পেয়াজ, চাল, ডাল, তেল চুলা ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে অধিক মোনাফা লাভের পরিবর্তে জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে  রাখার আহবান জানান।

দেশে বর্তমানে চাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে কোনপ্রকার সংকট নেই। তাই ব্যবসায়ীরা দ্রুব্যমূল্যের দাম সহনীয় এবং স্বাভাবিক রাখবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।  প্রতি বিক্রেতা একজন ক্রেতার নিকট সর্বোচ্চ এক বস্তা চাল,২ কেজি পিয়াজ,২কেজি তৈল,১কেজি মসুর ডাল,১কেজি চুলা,২কেজি চিনি ও  কেজি রসুন বিক্রি করার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান। সভা শেষে করোনা ভাইরাস সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাজারে লিফলেট বিতরণ করা হয়।