শান্তি-সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণই ছিলো মহানবীর অনুপম আদর্শ: সৈয়দ সাইফুদ্দিন

মোঃ আরিফ হোসেন (স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট) : দুর্নীতি, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার দীপ্ত শপথ নিয়ে পালিত হয়েছে ঈদের নবী (দ.)।

১০ নভেম্বর (রবিবার) মহানবীর (দ:) শুভ আগমন দিবস ১২ রবিউল উপলক্ষে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের গদিনিশিন ইমাম হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী নেতৃত্বে ও সভাপতিত্বে রাজধানী ঢাকার, মিরপুর-১ থেকে জশনে জুলুস ও সরকারি বাংলা কলেজ মাঠে আন্তর্জাতিক শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে লাখো লাখো নবীপ্রেমী জনতার উচ্ছ্বাস মুখর অংশগ্রহণ করে। তাদের স্লোগানে স্লোগানে রাজধানীর রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে। এবং সর্ব মানবতার কল্যাণ ও দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ চেয়ে আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন হযরত শাহ সুফি সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল- হাসানী (মা.জি.আ)।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ সাইফুদ্দিন আল হাসানী বলেন, মহানবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম যখন দুনিয়ায় আগমন করেন তখন ছিল তমাসাচ্ছন্ন তথা আইয়ামে জাহেলিয়াতেরর যুগ। আরবের গোত্রে গোত্রে যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই থাকত। ওই সময় কন্যা সন্তানকে অভিশাপ মনে করে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। নারী জাতির কোন মর্যাদাই ছিল না। নারী ছিল ভোগ বিলাসিতার পণ্য। মহানবীর সাল্লাহু সাল্লাম এসবের অবসান ঘটিয়ে নারী জাতিকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্র ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় তিনি মদীনা সনদ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেন। শান্তি সম্প্রীতি, ও মানব কল্যাণে ছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর অনুপম আদর্শ। তার জীবনাদর্শন অনুসরণ এবং এর মাধ্যমে আমরা জাগতিক জীবনের শান্তি এবং পরকালের অনন্ত জীবনেও মুক্তির দিশা পেতে পারি।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, আজ মানবজাতির আনন্দ খুশি প্রকাশ করার দিন। কেননা, এই দিনে দুনিয়ায় পদাপর্ণ করেছেন মানবতার নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)। জীবনে সকল পর্যায় তাকে অনুসরন করতে পারলে আমাদের জীবন হবে সফল, দ্যুতিময়, সার্থক ও কামিয়াব। তিনি ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টিতে মহল বিশেষের অপতৎপরতার ব্যাপারে সবার সর্তকতা কামনা করেনন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজাদা সৈয়দ মাশুক-এ- মইনুদ্দীন, শাহজাদা সৈয়দ হাসনাইন মইনুদ্দীন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত পার্লামেন্ট অব ওয়ার্ল্ড সুফিজের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আহমদ তিজানি বিন ওমর।