শাহজাদপুরে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

0
83

ফারুক হাসান কাহার, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: প্রচন্ড কুয়াশা এবং তীব্র শীত উপেক্ষা করে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা সাংবাদিকদের সাথে উপস্থিত থেকে গংগাপ্রসাদ বেদে পল্লীতে যাযাবর শীতার্ত বেদে পরিবারের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। শাহজাদপুরের কয়েকজন সাংবাদিকের উদ্যোগে সমাজের কিছু সামর্থবান মানুষের সহযোগিতায় গত শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় ৩য় দফায় উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের গংগাপ্রসাদ গ্রাামে বসবাসরত বেদে পল্লীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এর আগে দুই দফায় রাত ৯ টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত শাহজাদপুর পৌর শহরসহ বিভিন্ন রাস্তাঘাটে থাকা ভাসমান মানুষের মাঝে এবং বিভিন্ন গ্রাামে খুঁজে খুঁজে প্রকৃত অসহায় মানুষদের মধ্যে এ কম্বল বিতরন করা হয়।

শনিবার রাতে ৩য় দফায় শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা, শাজাদপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন, শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম, সময়ের কণ্ঠস্বর প্রতিনিধি রাজীব আহমেদ রাসেল, আজকালের খবর প্রতিনিধি মাসুদ মোশাররফ, সাংবাদিক জাকারিয়া মাহমুদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক অরূপ আহমেদ প্রমুুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহি অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, এ কম্বল আপনাদের জন্য সাংবাদিকদের উপহার। আপনারা সকলে তাদের জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ যেনো তাদেরকে সুস্থ্য রাখেন।

উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, সমাজের ছিন্নমূল অসহায় মানুষদের সহযোগিতার জন্য বিবেকবান সচ্ছল মানুষেরা যার যার অবস্থান থোকে এগিয়ে আসলে এদের দূর্দশা কিছুটা হলেও লাঘব হবে। হতাশার অন্ধকারে ডুবে যাওয়া অসহায় মানুষগুলো খুঁজে পাবে বাঁচার স্বপ্ন। আর এর জন্য কেবল লোক দেখানো আনুষ্ঠানিকতা নয়, প্রকৃত অসহায় মানুষদের খুঁজে বের করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

এদিকে প্রচন্ড শীতে জবুথবু বেদে পরিবার কম্বল পেয়ে মহাখুশি । তারা শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সাংবাদিকদের জন্য দোয়া করেন। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ এ স্থানে বসবাস করছি। অনেক কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। বাচ্চাদের নিয়ে শীতে আমাদের প্রচন্ড কষ্ট হয়। মাথা গোজার ঠাঁই নেই, পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র কেনারও সামর্থ নেই আমাদের। আপনাদের দেওয়া এই কম্বল পেয়ে আমরা খুবই উপকৃত হলাম।