শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ আইন গত সাহায্য কিভাবে নিবে –

https://www.bdcurrentnews24.com/wp-content/uploads/2022/07/ad-1.jpg

শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ আইন গত সাহায্য কিভাবে নিবে –

শিশু বাবা মা শিশুর জন্য সবচাইতে নিরাপদ যায়গা কিন্তু কিছু অনাকাংখিত ঘটনার ফলে পরিবার নিরাপদ পরিবেশ দিতে পারছে না বাবা’র কাছে শিশু নিরাপদ না কিছু দিন আগে private university ছাত্রী ছাদ থেকে লাফিয়ে
আত্নহত্যা করেছে , পরকিয়া কারনে মা নিজ সন্তানকে হত্যা করছে এমন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে শিশু কি করবে এটা নিয়ে আজকে আলোচনা ।

১ম , শিশু পরিবারে অন্য সদস্যদের কাছে বিষয় টি জানাতে পারে , মা কে নিয়ে নিরাপত্তাহীন হলে বাবা কে বলবে অথবা দাদা দাদি / চাচা চাচী অর্থাৎ পারিবারিক ভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

২য় , শিশু তার পাশের বাসার প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলতে পারে

৩য়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধিত আইন ২০০৩ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করবেন। ট্রাইব্যুনাল যদি ১৮০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার কারণ সংবলিত একটি প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করবেন। যার একটি অনুলিপি সরকারকেও দিতে হবে।

৪থ,তাছাড়া এ ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করবেন। এ রকম দাখিলকৃত প্রতিবেদনগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই আইন অনুযায়ী পুলিশ যদি অভিযোগ গ্রহণ না করে সে ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল সরাসরি বিচারের জন্য অভিযোগ নিতে পারেন। এই বিধানটি যদি বাস্তবে প্রয়োগ করা হয়, তবে জনগণের অভিযোগ করা অনেক সহজ হবে। এই আইনের অধীন বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করেন কোনো নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহলে ট্রাইব্যুনাল ওই নারী বা শিশুকে কারাগারের বাইরেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে বা যথাযথ অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিতে পারেন। বিচার চলাকালে যদি অপরাধী মহল নির্যাতিত নারী বা শিশুকে আবার কোনো ধরনের আঘাত করে বা করতে চায়, তা থেকে রক্ষার জন্য এই বিধান।
তাছাড়া অভিযুক্তকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্যও হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিতে পারে ট্রাইব্যুনাল। তবে কোনো নারী বা শিশুকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ওই নারী বা শিশুর মতামত গ্রহণ ও বিবেচনা করবেন।

আর এ মামলার তদন্ত বিষয়ে বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তদন্ত শেষ করবে। আর অপরাধী ধরা না পড়লে তদন্তের নির্দেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে তার কারণ ব্যাখ্যা করে সময় শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে জানাতে হবে। ট্রাইব্যুনাল ইচ্ছে করলে অন্য কর্মকর্তার ওপর তদন্তভার অর্পণের আদেশ দিতে পারেন। এই আদেশ দেওয়ার সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। আর এ মামলায় শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে এসব অপরাধ প্রমাণিত হলে অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদন্ড হতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে অর্থদন্ডেরও বিধান।

আফসানা ইয়াসমিন অর্থী
বিশিষ্ট শিশু মনোবিদ ও গবেষক

https://www.bdcurrentnews24.com/wp-content/uploads/2022/07/ad-1.jpg