সমুদ্র সৈকতের পাড়ে স্কাউটদের মিলন মেলা

মোঃ মুছা তপদার:– ভোর সাড়ে পাঁচটা। তখনো ঘন কুয়াশায় ঢাকা কক্সবাজারের টেকনাফ সৈকত এলাকা। যতই ক্লান্তি থাকুক—ক্যাম্পের নিয়ম হলো সকালে ঘুম থেকে জাগতে হবে। নিয়ম মেনে স্কাউট শিক্ষার্থীরা একে একে তাঁবু থেকে বেরিয়ে এলো। তারপর শুরু নানা ধরনের শারীরিক কসরত। সারাদেশ থেকে আসা দুই হাজারের বেশি স্কাউট ওরোভার স্কাউট মুহূর্তেই মেতে উঠলো এ্যারোবিক্স, যোগব্যায়াম ও দৌড়। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় কমিটির বেইজড স্কাউট ক্যাম্প এর দ্বিতীয় দিনের চিত্র ছিল এটি।

গত সোমবার থেকে টেকনাফ সীমান্ত সাবরং এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম পার্ক এলাকায় বসেছে ছয় দিন ব্যাপী এই স্কাউট ক্যাম্প। ভারত ,নেপাল, যুক্তরাজ্যসহ দেশে অন্তত ২ হাজার ৮০০ জন স্কাউট রোভার স্কাউট ক্যাম্প অংশ নেয়। এই ক্যাম্পর মূল থিম “উন্নয়নের এগিয়ে”।

রাত ৯ টায় ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্কাউট আন্দোলন খুব শক্তিশালী তার প্রমান সাবরাং অঞ্চলের স্কাউট ক্যাম্প । যেখানে দেশী-বিদেশী হাজারো শিক্ষার্থীর মিলনমেলা । স্কাউট আন্দোলন আরও গতিশীল করতে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এর কার্যক্রম বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশ স্কাউটস এর প্রধান জাতীয় কমিশনার ও দুদকের কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্কাউটস এর সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ।

এর আগে সকালে শরীরচর্চা পাশাপাশি “ক্যাম্প ক্র্যাফট” – এ অংশ নেয় স্কাউটরা। এই কর্মসূচিতে ছিল স্কাউটর নিজ নিজ তাঁবুর চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সহ নানা দৈনদৈনিক কাজ । এরপর অংশগ্রহণকারী বেটার ওয়ার্ল্ড মিশনে অংশ নেয়। ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী স্কাউট ও রোভার আলাদা আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ১১ টি মিশন ও অনুষ্ঠানের সমন্বয় দ্বিতীয় জাতীয় কমিটির স্কাউট ক্যাম্প অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে।