সাহায্য তুলে খেলতে যাচ্ছে বঙ্গমাতা ফুটবল টুনামেন্টের জেলা চ্যাম্পিয়ন দল

রাণীশংকৈল প্রতিনিধি: প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৯ এর ঠাকুরগাঁও জেলা চ্যাম্পিয়ন দল। রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে সাহায্য তুলে খেলতে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে।

জানা গেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মা শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিবের নামে সমগ্রহ দেশে প্রাথমিক পর্যায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সেই টুনামেন্টের কিশোরী দল হিসাবে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কোচল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরবর্তীতে ঠাকুরগাঁও জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়।

জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এই বিদ্যালয়কে ২৭ জানুয়ারী ২০২০ ইং তারিখে রংপুরে বিভাগীয় পর্যায় খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ও জেলা পর্যায় খেলায় উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন সহযোগিতা পাওয়া যায় নি। বিভাগীয় পর্যায়ে খেলতে যাওয়ার সময় সব ধরনের সাহায্য পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও। বর্তমানে রংপুরে যেতেও উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক বা প্রশাসনিক উৎসাহ উদ্দীপনা সহ তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোচল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৯ জন ক্ষুদে কিশোরী খেলোয়ারের অভিভাবকসহ এলাকাবাসী। তারা বলছেন আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা হতাশায়।

অভিভাবকরা বলছেন আমাদের ক্ষুদে কিশোরীরা এভাবে জয় ছিনিয়ে নিয়ে এলেও প্রশাসনিক ভাবে তাদের কোন উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে না। আবার বর্তমানে রংপুরে খেলতে যাওয়ার সময়েও তেমন সহযোগিতা না পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের নিকট রোববার উপজেলা পরিষদের সামনে সাহায়্যে তুলে খেলতে যাওয়ার ব্যয়ভার চালানোর চেষ্টা করছে ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকুল রানা সুকুমার রায় সহ স্থানীয় রবিউল ইসলাম তোফাজ্জল, রয়েল। এভাবে সাহায্য তুলে খেলতে যাওয়া নিয়ে হতাশায় ভুগছে কিশোরী খেলোয়ারসহ অভিভাবকরা।

বিদ্যালয় সুত্রে জানা গেছে,রংপুরে যেতে কিশোরীদের নিরাপত্তাসহ যাওয়া আসার ভাড়া খাওয়া দাওয়া থাকার ব্যবস্থাসহ এবং সেখানে প্রতিপক্ষ দলকে হারাতে পারলে অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া খরচ ব্যয়ভার বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্ভব না হওয়ায় সাহায্য তুলা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কোচল সরকারী প্রথামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস বেগম বলেন, সহযোগিতার মধ্যে জেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন থেকে দশ হাজার টাকার করে দুইটি চেক পাওয়া গেছে। তবে সে-গুলো ক্যাশ করা সম্ভব হয় নি। ২৬ জানুয়ারী আমাদের রংপুরে পৌছাতে হবে খেলোয়ারদের নিয়ে। অর্থনৈতিক বিষয়ে আমরা খুব সংকটে রয়েছি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী আফরিদার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে সাড়া পাওয়া যায় নি।