হাজীগঞ্জ পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আহসান উল্যাহ্ মৃধা

ক্যাপশন: আহসান উল্যাহ্ মৃধা

মোহাম্মদ হাবিব উল্যা: হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন, আহসান উল্যাহ্ মৃধা। তিনি ইতিমধ্যে পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতে খড়ি তার। ১৯৮৮ সালে হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজে ছাত্রলীগের সাথে জড়িয়ে তিনি ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। তিনি একজন সমাজকর্মী, সফল ব্যবসায়ী ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।

আহসান উল্যাহ্ মৃধা বলেন, ছাত্র অবস্থায় রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হই। আমার রাজনৈতিক জীবনের আদর্শিক জায়গাটা তৈরি হয়েছিলো, আমার বাবা মরহুম আনোয়ার উল্যাহ্ মৃধার কাছ থেকে। বাবার রাজনৈতিক জীবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক চর্চা দেখে আমি মুগ্ধ হই। তখন থেকেই রাজনীতি আমার ধ্যানজ্ঞানে পরিণত হয় এবং ছাত্রজীবন থেকে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল কলেজ তৎকালিন হাজীগঞ্জ পাইলট হাই স্কুলে ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করি।

পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের মৃধা বাড়ীর কৃতি সন্তান আহসান উল্যাহ্ মৃধা একজন সৃজনশীল, বিচক্ষণ ও ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি স্কুল ছাত্রলীগের নেতৃত্বে থেকে ১৯৯২ সালে হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি পদে আসীন হন। এরপর ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি সততা ও নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ১৯৯৪ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক পদে আসীন হন। এরপরেই জেলা ছাত্রলীগ শাখার স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ও সম্মানিত সদস্য পদে ছিলেন দীর্ঘদিন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি করাকালীন সময়ে, তৎকালীন সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার থাকাকালে বিরোধী দল তথা আওয়ামী লীগের সকল আন্দোলন সংগ্রামে হাজীগঞ্জ বাজারসহ সংলগ্ন এলাকায় ছিলো সরব উপস্থিতি। তার যোগ্য নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের আন্দোলন-সংগ্রামে হাজীগঞ্জের রাজপথ ছিলো ছাত্রলীগের দখলে। তার নেতৃত্বে নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সংগঠনের সবাই ছিলেন সন্তুষ্ট।

আহসান উল্যাহ মৃধার বাবা আলহাজ্ব মরহুম আনোয়ার উল্যাহ মৃধা ছিলেন, পৌর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাজীগঞ্জ পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির দীর্ঘদিনের সদস্য। তার বাবা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে বিএনপির ঘাটি হিসেবে খ্যাত বৃহত্তর টোরাগড় গ্রামের (পৌর ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড) তিনি সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এলাকায় একজন সমাজসেবক হিসেবে কাজ করেছেন। বাবার মতো তিনিও সমাজসেবা করে যাচ্ছেন।

শিক্ষিত পরিবারের সন্তান আহসান উল্যাহ মৃধার স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত। এক সন্তানের জনক তিনি। শ্বশুর মরহুম হুমায়ুন কবির মজুমদার ছিলেন শাহরাস্তি উপজেরার অবিভক্ত টামটা ইউনিয়ন পরিষদের ৩০ বছরের ইউপি চেয়ারম্যান। শাহরাস্তি উপজেলায় ওয়ারুকসহ তৎসংলগ্ন এলাকা মুজিবনগর হিসেবে খ্যাত করার মূল কারিগর ছিলেন, এই হুমায়ুন কবির মজুমদার। এছাড়া তিনি ছিলেন, শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য।

আহসান উল্যাহ্ মৃধা বর্তমানে পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে, তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ভিশন ২১ ও ৪১ এবং আওয়ামী লীগের দলীয় সকল কর্মসূচী বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় অংশ গ্রহণ রয়েছে তার।

বিএনপির ঘাটি হিসেবে খ্যাত বৃহত্তর টোরাগড় গ্রামে (পৌর ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড) দলীয় সমর্থন ও নেতা-কর্মী তৈরিতে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছেন আহসান উল্যাহ্ মৃধা। তার সফলতাও এসেছে। যা স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে ভোটাই বড় প্রমান। যেখানে এই দুই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দু-তিনশ ভোট পেতো, সেখানে বর্তমানে ২ থেকে আড়াই হাজার ভোট পাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে আহসান উল্যাহ্ মৃধা তার সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমকে আরো বেশি সুংগঠিত ও শক্তিশালী করতে পারবেন বলে মনে করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এবং তার মতো একজন সৎ, নিষ্টাবান ও আদর্শিক ত্যাগি নেতার নেতৃত্ব, সময়পযোগি বলে মনে করেন তারা।