২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে আবাসন , নতুন ঔষধ আবিষ্কার করেছেন দু’বাঙালি হোমিও চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী

0

রোটাঃ প্রফেসর ডাঃ মোঃ একরামুল হক পাটোয়ারীঃ- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালে অর্থাৎ আগামী ১৩ বছরের মধ্যে চাঁদে বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করতে যাচ্ছে তাদের মালপিট পাহাড় ৷ উপনিবেশটির নাম দেওয়া হচ্ছে, মালপিট বেশ কনসোটিয়াম ৷ বিজ্ঞানী প্রযুক্তিবিদ গবেষণা ছাড়াও সেখানে যেতে পারবেন এমন গমনেচ্ছুক মানুষও ৷

২০০ জনের বসবাসযোগ্য হচ্ছে চাঁদের ঐ আবাসনটি৷ সম্প্রতি নিউ জার্মির রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ৷ সেখানে বিভিন্ন শ্রেণীর বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়েছিল ৷ পৃথিবীর চিকিৎসক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে কলকাতার বাঙালি দুই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সেখানে উপস্থিত ছিলেন ৷ কারন তারাই আবিষ্কার করেছেন, চাঁদে বসবাসকারী মানুষের জন্য উপযোগী অতি তরলীকৃত ঔষধ বা আল্ট্রা-ড্রাই লিউটেও ড্রাগ ৷ ঐ বিশেষ চিকিৎসকের নাম ডাক্তার প্রশান্ত ব্যানার্জি ও ডাক্তার প্রদীপ ব্যানার্জি ৷ পূর্বের কয়েকটি চাঁদের আবাসন সংক্রান্ত নানা বিশেষজ্ঞ দেশ-বিদেশের সিনিয়র মুখোমুখি হয়েছিলেন ওই দুই প্রখ্যাত চিকিৎসকদের ৷ চাঁদে যাওয়ার পর মানুষের মধ্যে যেমন রোগ ব্যাধি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেই সহ সেইসব রোগ-ব্যাধি নিরসনে পৃথিবীতে ব্যবহার্য সাধারণ ওষুধ কাজ করে না ৷ বরং নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে ৷

তাই চাঁদে মানুষের শরীরে ব্যবহার উপযোগী তাদের উদ্ভাবন অতি তরলীকৃত ওষধ বা আল্ট্রা-ড্রাইলিউটেড ড্রাগ ৷ প্রধান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডাক্তার প্রশান্ত ব্যানার্জি বিভিন্ন পত্রিকাকে বলেন, চাঁদে ভ্রমণ করার সময় আবহাওয়ার কারণে ঠান্ডা এলার্জিতে নাক মুখ বন্ধ, অনিদ্রা, মানসিক চাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পেশি ক্ষয়, অসুবিধা, রক্তে আরবিসি ধংস, কিডনির পাথর, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে ৷ কথাতে যে এমন হবে সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই , সাধারণ ওষুধ ব্যবহার করলে চুম্বক শক্তি না থাকায় , সাধারণ ওষুধের প্রয়োগের পর তারা বিচ্ছুরণ দ্রুবশক্তি, রাসায়নিক রুপান্তরে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে ৷ তাই নতুন ধরনের ঔষধ চাই চাঁদে ভ্রমণকারীদের জন্য ৷ ইতিমধ্যে ইউরোপসহ বিশ্বের ৩০ টির উপর দেশে তাদের উদ্ভাবিত আলট্রা-ড্রাই লিউটেড ড্রাগ ব্যবহার করা হচ্ছে ৷ ডাক্তার প্রদীপ ব্যানার্জি বলেন চাঁদে যেতে সাত দিন, আসতে সাতদিন এবং অবস্থানের সময় করা হয়েছে ধরা হয়েছে সাতদিন ৷ নাসার বিজ্ঞানীরা সেমিনারে বলেছেন ২০২৫ সালের পর থেকে নিয়মিত ভাবে চাঁদে মানুষ যেতে পারবেন ৷ দক্ষিণ কলকাতার এলাগন রোডে প্রশান্ত ব্যানার্জি হোমিওপ্যাথি বোর্ড ফাউন্ডেশন নামে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্ভাবিত নতুন এ পদ্ধতি নিয়ে এখনো বহু চিকিৎসক গবেষনা করে যাচ্ছেন ৷ নাসার বিজ্ঞানীরা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন ৷

ঐ বিশেষ চিকিৎসকের নাম ডাক্তার প্রশান্ত ব্যানার্জি ও ডাক্তার প্রদীপ ব্যানার্জি ৷ পূর্বের কয়েকটি চাঁদের আবাসন সংক্রান্ত নানা বিশেষজ্ঞ দেশ-বিদেশের সিনিয়র মুখোমুখি হয়েছিলেন ওই দুই প্রখ্যাত চিকিৎসকদের ৷ চাঁদে যাওয়ার পর মানুষের মধ্যে যেমন রোগ ব্যাধি হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেই সহ সেইসব রোগ-ব্যাধি নিরসনে পৃথিবীতে ব্যবহার্য সাধারণ ওষুধ কাজ করে না ৷ বরং নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করে ৷ তাই চাঁদে মানুষের শরীরে ব্যবহার উপযোগী তাদের উদ্ভাবন অতি তরলীকৃত ওষধ বা আল্ট্রা-ড্রাইলিউটেড ড্রাগ ৷ প্রধান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডাক্তার প্রশান্ত ব্যানার্জি বিভিন্ন পত্রিকাকে বলেন, চাঁদে ভ্রমণ করার সময় আবহাওয়ার কারণে ঠান্ডা এলার্জিতে নাক মুখ বন্ধ, অনিদ্রা, মানসিক চাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পেশি ক্ষয়, অসুবিধা, রক্তে আরবিসি ধংস, কিডনির পাথর, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে ৷

কথাতে যে এমন হবে সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই , সাধারণ ওষুধ ব্যবহার করলে চুম্বক শক্তি না থাকায় , সাধারণ ওষুধের প্রয়োগের পর তারা বিচ্ছুরণ দ্রুবশক্তি, রাসায়নিক রুপান্তরে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে ৷ তাই নতুন ধরনের ঔষধ চাই চাঁদে ভ্রমণকারীদের জন্য ৷ ইতিমধ্যে ইউরোপসহ বিশ্বের ৩০ টির উপর দেশে তাদের উদ্ভাবিত আলট্রা-ড্রাই লিউটেড ড্রাগ ব্যবহার করা হচ্ছে ৷ ডাক্তার প্রদীপ ব্যানার্জি বলেন চাঁদে যেতে সাত দিন, আসতে সাতদিন এবং অবস্থানের সময় করা হয়েছে ধরা হয়েছে সাতদিন ৷ নাসার বিজ্ঞানীরা সেমিনারে বলেছেন ২০২৫ সালের পর থেকে নিয়মিত ভাবে চাঁদে মানুষ যেতে পারবেন ৷ দক্ষিণ কলকাতার এলাগন রোডে প্রশান্ত ব্যানার্জি হোমিওপ্যাথি বোর্ড ফাউন্ডেশন নামে একটি চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্ভাবিত নতুন এ পদ্ধতি নিয়ে এখনো বহু চিকিৎসক গবেষনা করে যাচ্ছেন ৷ নাসার বিজ্ঞানীরা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন ৷