নৌ কমান্ডো বীর প্রতিক বাচ্চু পাটওয়ারীর ছেলের চাকুরী না হয়ে চাকুরী হলো জেলা শিবির নেতার

0
12476
শিবির নেতা হেলালের শিবির কর্মী হিসেবে আবেদন পত্র ও রশিদ।

নিউজ ডেস্ক ॥ চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন বাখরপুর ১০০ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী হিসেবে আবেদন করেছিলেন নৌ কামান্ড বীর প্রতিক বাচ্চু পাটওয়ারীর ছেলে সেলিম পাটওয়ারী। তার বাবা ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মহা পরিচালক মমিন উল্ল্যাহ পাটওয়ারীর সহযোদ্ধা ও ঘনিষ্ট বন্ধু। এই বীর প্রতিক বাচ্চু পাটওয়ারী, তার ছেলের চাকুরীর জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে না পেয়ে চরম হতাশায় ভূগছিলেন। এর মাঝেও হাল ছড়েননি তিনি। নিজ বাড়ী সংলগ্ন একটি প্রাইমারি স্কুলের নৈশ প্রহরী হিসেবেই ছেলেকে আবেদন করতে বলেন। অতিব দুঃখের বিষয় তার ছেলে, সেলিম পাটওয়ারীর চাকুরী না হয়ে, চাকুরী হলো শিবির নেতা হেলালের। জীবন বাজি রেখে হায়নাদের কবল থেকে দেশ মাতৃকা উদ্ধার করতে পারলেও, উদ্ধার করতে পারেনি সন্তানের জন্য ছোট একটি চাকুরী। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকলেও চাকুরী হয় ওই হায়নাদের উত্তরসূরি শিবির নেতাদের। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা। বারংবার লজ্জিত হন দেশের শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা। আজ শিবির নেতা হেলারাই স্বাধীন দেশের সকল সুযোগ সুবিধার মালিক।

মোঃ হেলাল পাটওয়ারী, পিতা- শহীদ উল্যাহ পাটওয়ারী, মাতা – জাহানারা বেগম, গ্রাম – বাখরপুর। সে ০১/০১/২০০৭ সালে বালিয়া স্কুলে সপ্তম শ্রেনীতে থাকতেই শিবিরে যোগ দেন। তখন তার রোল ছিল ৫০। সময়ের বিবর্তনে সে শিবিরের মস্ত বড় নেতা হয়ে যান। জামাত শিবিরের গোটা জেলায় আন্দোলন না থাকলেও চাঁদপুর সদরের ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়নে চলতো জালাও- পোড়াও, ভাংচূড় ও বোমাবাজি। যাহা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় নোটেড ছিল ওই ইউনিয়নটি। আজ তাদেরই চাকুরী হয়। স্থানীয় এমপিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের যাচাই নাটক এর মঞ্চায়নের বিষয়ে জনৈক ব্যাক্তি বলেন, টাকাই যোগ্যতার মাপকাঠি। এ লজ্জা রাখিবো কোথায় ?

বিরত

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপানার নাম লিখুন