অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হওয়া সেই প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীরের দ্বিতীয় স্ত্রী শিক্ষিকা সালমা

0
134
ধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম এবং সহকারী শিক্ষিকা সালমা বেগম।

কচুয়া প্রতিনিধি: চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ২ সন্তানের জনক জাহাঙ্গীর আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী তালতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা এক সন্তানের জননী সালমা বেগম। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সহকারী শিক্ষিকা সালমা বেগমের অন্তরঙ্গ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। অভিযোগ উঠে, পরকীয়া প্রেমের জেরে আনন্দঘন মূহুর্তে তারা এ ছবি ধারণ করে এবং পরবর্তীতে তা ফেসবুকে ভাইরাল করে।

ছবি ভাইরালের পর পরই শ্রীরামপুর গ্রামবাসী মোঃ আবু ইউসুফ এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ জুলাই বুধবার কচুয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত হয়। এসময় জাহাঙ্গীর আলম ও সালমা বেগম মামলা তদন্তকারী অফিসার চাঁদপুর জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম মজুমদারের কাছে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে দাবী করেন এবং তারা জানান সম্প্রতি তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সালমা বেগম জানান তিনি তার প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমকে বিবাহ করে। ভাইরাল হওয়া ছবিটির বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম ও সালমা বেগম কোন প্রকার সদুত্তর দিতে পারেনি। জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম মজুমদার সাংবাদিকদের এসকল তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিষয়টি জানাজানির পর থেকেই শ্রীরামপুর গ্রামবাসীর মধ্যে পুনরায় উত্তেজনা দেখা যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীরামপুর গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, জাহাঙ্গীর সালমাকে বিবাহ না করেই নিজেদের চাকুরি বাঁচানোর স্বার্থে মামলার তদন্তকারী অফিসারের কাছে মিথ্যা তথ্য দেয়। যদি তারা সত্যিই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকে তাহলে সালমা বেগম কিভাবে তার পূর্বের প্রবাসী স্বামীর সংসার করে। এবং জাহাঙ্গীরও বিভিন্ন স্থানে বলে বেড়ায় চাকুরি বাঁচাতে এসব করেছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এমন ব্যবহারে সন্তোষ্ট নয় এলাকাবাসী এমন অভিযোগ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক মেম্বার বলেন, প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর বিদ্যালয়ে থাকে না। প্রতিদিন সকালে বিদ্যালয়ে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে উপজেলায় গিয়ে শিক্ষা অফিস এবং অফিস সংলগ্ন দোকানগুলোতে বসে থাকে । আর শিক্ষা অফিসে বিভিন্ন তদবির বানিজ্য করে। প্রধান শিক্ষক যদি অবৈধ কাজে জরিত হয় শিক্ষার্থীরা তার কাছ থেকে কি শিখবে । তাই আমরা শ্রীরামপুর গ্রামবাসী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের অপসারণ দাবী করছি। এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম (০১৮৩০৭২২৭৭০) এবং সহকারী শিক্ষিকা সালমার (০১৭৩১৬৯৫৬৫৭) সাথে মুঠোফোনে বাববার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিরত

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপানার নাম লিখুন